https://www.emjanews.com/

15476

sylhet

প্রকাশিত

০৬ মে ২০২৬ ১৯:৪১

সিলেট

দোয়ারাবাজারের উন্নয়নে এমপি মিলনের দুই শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ ১৯:৪১

ছবি: আনোয়ার হোসেন রনি।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে উন্নয়নের বাজিমাত। বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন সভায় সুনামগঞ্জ-৫ (দোয়ারাবাজার–ছাতক) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ঘোষণা করলেন প্রায় দুই শত কোটি টাকার উন্নয়ন মহাপ্যাকেজ।

এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খছরু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার।

সভায় এমপি মিলন বলেন, ‘দোয়ারাবাজারকে পিছিয়ে পড়া উপজেলা হিসেবে আর কেউ দেখবে না- যোগাযোগ, শিক্ষা ও অবকাঠামো নির্মাণে আমূল পরিবর্তন এনে দেব।’ এরপরই তিনি একের পর এক বড় প্রকল্প ঘোষণা করেন।

এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিটিশ পয়েন্ট–বাংলাবাজার ২.৫ কিমি সড়ক,সমপরিমাণ ব্যয়ে দোয়ারা–বোগলা ৫ কিমি সড়ক, বাংলাবাজার–হকনগর–বোগলা রোডে ৭ কোটি, আমবাড়ি–বদরপুর–রামপুর রোডে ৬ কোটি, ছাতক–সুনামগঞ্জ রোড থেকে গুরেশপুর পর্যন্ত ৫ কোটি, দোহালিয়া–মঙ্গলপুর–ধর্মপুর সড়কে ৪ কোটি বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া রাবার ড্যাম–চকবাজার ৩.৩ কিমি সড়কে ৭ কোটি, নরসিংপুর ইউনিয়ন অফিস–শারফিন নগরে ৩.৫ কোটি, নরসিংপুর–ছাতক বাজার রোডে ৩ কোটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। আরও ২.৭৫ কোটি টাকা করে সোনাপুর–নাছিমপুর, খন্ডারগাঁও–নেতর ছইড়, খায়ারগাঁও গ্রাম্য রাস্তা এবং শ্রীপুর–পলিরচড় সড়ক নির্মাণ করা হবে।

বালিউরা–নেদার কান্দিতে ১.৪০ কোটি এবং প্রতাপপুর–বিয়ানীবাজার সড়কে ২ কোটি টাকা বরাদ্দও ঘোষণা করেন তিনি।

শিক্ষা খাতে বিরল বিপ্লব রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়, লিয়াকতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজসহ মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে প্রতি ভবনে ১.৫ কোটি টাকায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।

নৈনগাঁও, পশ্চিম মাছিমপুর, বাঁশতলাসহ ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ কোটি টাকা করে নতুন ভবন এবং আরও ১০টি বিদ্যালয়ে ২ কোটি টাকা করে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে।

সংস্কার ও সুরক্ষায় নতুন বরাদ্দ বগুলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টেংরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে ৮০ লক্ষ টাকা করে সংস্কার ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপি নেতা সামছুল হক নমু ও আলহাজ্ব আব্দুল বারী।

সমাবেশে জনতার ঢল নেমে আসে। সভার শেষে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দোয়ারাবাজারকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।