https://www.emjanews.com/

15589

national

প্রকাশিত

১১ মে ২০২৬ ২১:২৫

জাতীয়

কুইক রেন্টাল আইন বাতিল, তবে শতাধিক প্রকল্পের বৈধতা বহাল

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬ ২১:২৫

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ (কুইক রেন্টাল) আইনটি সংসদে রহিত করে চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছে সরকার। তবে এই আইনের আওতায় করা শতাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর বৈধতা বহাল রাখা হয়েছে।

চলতি বছরের ১০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ আইন ২০১০ রহিতকরণ আইন’ পাসের মাধ্যমে বিতর্কিত এ দায়মুক্তি আইনটি বাতিল করা হয়। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।

দেড় দশকে এই আইনের আওতায় শতাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে নতুন আইনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের আইনের অধীনে করা চলমান প্রকল্পগুলো অব্যাহত থাকবে এবং বিশেষ আইনে সম্পাদিত সব বিদ্যুৎচুক্তি বৈধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিতর্কিত আইনের অধীনে করা প্রকল্প ও চুক্তিগুলোকে বৈধতা দেওয়ায় সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের মতো বর্তমান সরকারও বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম ও লুটপাটকে কার্যত দায়মুক্তি দিয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এটি একটি বাস্তবসম্মত ও সঠিক সিদ্ধান্ত। তাঁদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ধারাবাহিক রাখতে বিদ্যমান চুক্তিগুলো বহাল রাখা জরুরি।

বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব প্রায় ৫০ শতাংশ। এ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্যাপাসিটি চার্জের চাপ বাড়ায় এই খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষ আইনে করা চুক্তিগুলো জনস্বার্থে পর্যালোচনার সুযোগ সরকারের রয়েছে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নিলে তাতে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।