শিরোনাম
আ.লীগের নেতাকর্মীদের জন্য খুলছে নতুন পথ, কী শর্ত দিল সরকার? সিলেটে হঠাৎ চিরুনি অভিযানে পুলিশ: ৪ ঘন্টায় আ/টক ১১০ জন আবুল হোসেন হত্যা মামলা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটসহ আট জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা রপ্তানি বাড়াতে চামড়া শিল্পে ২৩ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী ৪,৮০০ ‘অবৈধ অভিবাসীকে’ বাংলাদেশে ফেরত, হোল্ডিং সেন্টারে আরও ৮৩৬ জন: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী  ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহ.ত ৪, আহ.ত অন্তত ৪০ সুনামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ সিলেটজুড়ে ব্যাপক অভিযানে আ/টক ১৭১: প্রায় ২শ গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘ.র্ষ, ওসিসহ আহ.ত অর্ধশতাধিক

https://www.emjanews.com/

15808

international

প্রকাশিত

২০ মে ২০২৬ ২১:১৩

আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে ‘পুশব্যাক’ শুরুর ঘোষণা শুভেন্দুর

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬ ২১:১৩

ছবি: শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

বুধবার (২০ মে) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পুশব্যাক’ কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উত্তরবঙ্গ সফরকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশকারীদের শনাক্ত করে আটক করা হবে। পরে তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কাছে ফেরত পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তার দাবি, ২০২৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে নির্দেশনা দিলেও তৎকালীন রাজ্য সরকার তা কার্যকর করেনি। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ‘পুশব্যাক’ নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। যাদের বৈধ নথিপত্র নেই এবং নাগরিকত্ব প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাদের শনাক্ত করে আটক করা হবে। এরপর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে বহু বছর আগে যাওয়া হিন্দু উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তারাও এ অভিযানের আওতায় পড়তে পারেন।

তবে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)–এর আওতায় থাকা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিরা নির্ধারিত নিয়মে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও বলেন, সিএএ’র আওতায় থাকা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ যদি ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকেন, তাহলে তাদের আটক বা হয়রানি করা হবে না। তবে এর বাইরে থাকা ব্যক্তিদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এদিকে এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এ ধরনের সিদ্ধান্ত মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত অনেক পরিবারের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়বে।

অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা বলছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা, ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ এবং সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’