শিরোনাম
সাদাপাথর ভ্রমণ: পর্যটকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানাল অধিদপ্তর সিলেটের একজনসহ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ কর্মকর্তা ‘আপা’ ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি বিক্রির দায়ে জরিমানা: ওসমানীনগর ইউএনও আদ্‌-দ্বীন ভবন চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজেটে হাওরাঞ্চলের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি সিলেটে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: আজও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহাযুদ্ধ? সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি সিলেটে রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

https://www.emjanews.com/

16101

surplus

প্রকাশিত

০৪ জুন ২০২৬ ২১:৩০

অন্যান্য

সাংবাদিক গ্রেফতার: জগন্নাথপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ ২১:৩০

ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলুর গ্রেফতারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি।

ইউনিটির সভাপতি মোঃ আলী হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক শাহ ফুজায়েল আহমদের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলেন, একজন পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে অবশ্যই প্রচলিত আইন ও ন্যায়বিচারের কাঠামোর মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত,কিন্তু কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই মামলা এফেয়ার করে গ্রেফতার করা হয়। সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের কারণে কাউকে হয়রানি, গ্রেফতার কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন স্বাধীন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলুর গ্রেফতার সংবাদকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ কিংবা পেশাগত কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য অশনিসংকেত।

জগন্নাথপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারা অবিলম্বে সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলুর নিঃশর্ত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে সকল প্রকার হয়রানিমূলক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়; বরং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক অবস্থান। সাংবাদিকের কণ্ঠরোধ গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।