শিরোনাম
পে-স্কেল নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় কর্মচারীরা নম্বর নয়, গুরুত্ব পাবে মূল্যবোধ ও দক্ষতা; শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বই সিলেটসহ ১৪ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আভাস হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রবাসী বাবা ও ছেলের মৃ ত্যু জামায়াত আমীরের বক্তব্যে বিএনপির ক্ষোভ উৎমাছড়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত পাঠালো বিজিবি দিঘি-টিলা হারিয়ে পরিবেশ সংকটে সিলেট জামায়াত আমীরের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া এমপি এমরানের 'সরকারের জন্মের ঠিক নেই' বক্তব্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ জামায়াত আমীরের  বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা, আইভরি কোস্টের কাছে হারল হট ফেভারিট ফ্রান্স

https://www.emjanews.com/

16104

opinion

প্রকাশিত

০৫ জুন ২০২৬ ০১:২৪

মতামত

সাম্বার ছন্দে ফেরার অপেক্ষা: ২০২৬ বিশ্বকাপে আমার ভালোবাসা 'ব্রাজিল'

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ ০১:২৪

ছবি: সংগৃহীত

​ফুটবল মানেই এক অদ্ভুত আবেগ, আর বাঙালি ফুটবল ভক্তদের কাছে এই আবেগের সমার্থক শব্দ ‘ব্রাজিল’। শৈশব থেকে যখন প্রথম ফুটবলের ব্যাকরণ বুঝতে শুরু করি, তখন থেকেই মনের অজান্তেই হলুদ-সবুজ জার্সির প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। সেই থেকে আজ অবধি, প্রিয় ফুটবল দল বলতে আমি এক ও অদ্বিতীয় ব্রাজিলকেই বুঝি এবং জানি।

​ব্রাজিলকে ভালো লাগার কারণ খুঁজতে গেলে কোনো একটি যুক্তি দিয়ে শেষ করা যাবে না। তবে প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো; তাদের খেলার নান্দনিকতা। ‘জোগো বোনিতো’ বা সুন্দর ফুটবল যাকে বলে, সেটি ব্রাজিলের ফুটবলারদের চেয়ে ভালো কেউ ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। ব্রাজিলের খেলায় সবসময় এক ধরণের জাদুকরী ছন্দ ছিল, যা মাঠের ফুটবলকে আর্ট বা শিল্পে রূপ দিত। বিশ্ব ফুটবলকে সুন্দরতম করার কারিগর এই দেশটিই। পেলে, গারিনচা, জিকো, রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনহো থেকে শুরু করে নেইমার; পৃথিবীর ইতিহাসের সেরা এবং অসাধারণ সব ফুটবলারদের জন্ম দিয়েছে এই সাম্বার দেশ। তাঁদের পায়ের জাদু দেখেই আমাদের ফুটবলপ্রেমী হয়ে ওঠা।

​'ব্রাজিল কেবল একটি দল নয়, ফুটবল নামক শিল্পের আদি বাসস্থান।'

​এটা সত্য যে, বর্তমানে দলের অবস্থা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। পারফরম্যান্সে কিছুটা ধারাবাহিকতার অভাব এবং সোনালী অতীতের সেই চেনা ছন্দের ঘাটতি ভক্তদের কিছুটা পোড়াচ্ছে। কিন্তু দিনশেষে এটিই তো ব্রাজিল! ফিনিক্স পাখির মতো ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার জেগে ওঠার ইতিহাস রয়েছে তাদের।

​সামনে কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। নতুন ফরম্যাটের এই ফুটবল মহাযজ্ঞ নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ আশাবাদী। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো কিংবা এনড্রিকদের মতো তরুণ প্রতিভারা এখন বিশ্বমঞ্চে বুক চিতিয়ে লড়তে প্রস্তুত। আমার বিশ্বাস, অতীতের সমস্ত খরা এবং সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এবার মাঠের ফুটবলে সাম্বার ছন্দ ফিরে আসবে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল শুধু অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়েই যাবে না, বরং হেক্সা জয়ের অধরা স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্বকে আবারও দেখিয়ে দেবে-কেন তারাই ফুটবলের আসল রাজা!