https://www.emjanews.com/

17385

national

প্রকাশিত

২৭ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৫

জাতীয়

ইউনিলিভারের যে ৮ টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৫

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত করেছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)। এর মধ্যে বহুল ব্যবহৃত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভারের দুই জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ক্লোজআপ ও পেপসোডেন্টের আটটি টুথপেস্ট রয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় ইএসডিওর নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট’ শীর্ষক গবেষণার এই তথ্য তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বাজারজাত টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে এটিই প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ইউনিলিভারের ক্লোজআপ ব্র্যান্ডের চারটি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রতি ১০০ গ্রাম ক্লোজআপ রেড হট এবং ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশে পাওয়া গেছে ১৬০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা। এ ছাড়া ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশেতে ৪০টি এবং ক্লোজআপ লেমন সি সল্টের প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইউনিলিভারের আরেক ব্র্যান্ড পেপসোডেন্টের যে চারটি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মিলেছে, সেগুলোর মধ্যে পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টের প্রতি ১০০ গ্রামে ১০০টি কণা রয়েছে। পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্টে ৬০টি, পেপসোডেন্ট জার্মিচেক প্লাসে ৪০টি এবং শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ পণ্য পেপসোডেন্ট কিডস-অরেঞ্জের প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি কণা পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইএসডিওর মহাসচিব ও জ্যেষ্ঠ কারিগরি উপদেষ্টা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, প্রতিদিন ব্যবহার করা একটি পণ্যে এভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে- সে বিষয়ে অধিকাংশ ভোক্তাই অসচেতন। তাই পণ্যের গায়ে উপাদানের তালিকা উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি জোরদার করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) উপপরিচালক (রসায়ন) মো. মনজুরুল করিম জানান, টুথপেস্টের জাতীয় মানে বর্তমানে ৪০টি অনুমোদিত উপাদান ও কণার আকারের সীমা নির্ধারণ করা আছে। ইএসডিওর গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিষয়টি উঠে আসায় তা বিবেচনায় নিয়ে টুথপেস্টের বিদ্যমান মান সংশোধনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কোনো জাতীয় মানদণ্ড, অনুমোদিত সীমা, পরীক্ষাপদ্ধতি বা বাধ্যতামূলক লেবেলিং নীতি নেই বলেও ইএসডিওর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।