শিরোনাম
সিলেটে রাত ৩টায় প্রকৌশলীর বাসায় ঢুকে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! যাদুকাটা থেকে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সিলেট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুদকের অভিযান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর দেড় মাস সিলেট নগরীর যে স্থানে চলাচলে মানতে হবে বিশেষ নির্দেশনা নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ জানা গেল সরকারি চাকুরিতে শূন্য পদের সংখ্যা

https://www.emjanews.com/

17585

politics

প্রকাশিত

০৫ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৪

রাজনীতি

‘আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন, প্রস্তুত থাকুন’- জামায়াত আমির

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৪

ছবি: সংগৃহীত

দেশবাসীকে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, ‘আরেকটা অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন’।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিপ্লব কোনো বয়স মানে না। যেমন চব্বিশের জুলাইয়ে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, ১০ মাসের শিশু থেকে ৯০ বছরের বৃদ্ধ সবাই রাজপথে ছিল। আগামীতেও সবাই তরুণের ভূমিকায় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ে অংশ নেবে।’

তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে হয়নি; এটি ছাত্র-তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা গণ-আন্দোলন। তাঁর ভাষায়, ‘জুলাই আন্দোলনের কোনো একক মাস্টারমাইন্ড নেই। এর মাস্টারমাইন্ড ১৮ কোটি নির্যাতিত মানুষ।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, শহীদরা কোনো দলের নয়, তারা জাতির সম্পদ। একই সঙ্গে আহত ও পঙ্গু হয়ে যাওয়া জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং শহীদ পরিবারগুলোর সম্মানজনক পুনর্বাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবিগুলো কেন উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে সমঝোতা করে তা করা হচ্ছে—এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে তাঁদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। তবে কোনো পরিস্থিতিতেই এ দাবি থেকে তাঁরা সরে আসবেন না।

শিক্ষাঙ্গনে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, আবারও ‘গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি’ ও ফ্যাসিবাদী আচরণের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যেখানে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, মাত্র পাঁচ মাসেই জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার কারণ সরকারের কর্মকাণ্ড। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা বসে বসে আঙুল চুষব?’

সমাবেশে বক্তব্য দেন অলি আহমদ, মামুনুল হক, হামিদুর রহমান আযাদ, জালালুদ্দীন আহমদ, মজিবুর রহমান মঞ্জু, মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আবদুল কাইয়ূম সুবহানী, রাশেদ প্রধানসহ ১১-দলীয় জোটের নেতারা।