নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৪২
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া প্রকৃত যোদ্ধাদের তালিকা নতুন করে যাচাই-বাছাই করে প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আহত বা নিহত না হলেও গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যাঁরা আগে তালিকাভুক্তির আবেদন করতে পারেননি, তাঁদেরও অন্তর্ভুক্তির সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যাতে তালিকায় স্থান না পান এবং প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কেউ যাতে বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকের কার্যবিবরণী সূত্রে জানা গেছে, জুলাইযোদ্ধাদের সংজ্ঞা নির্ধারণ, শহীদ ও আহতদের তালিকা প্রণয়নের নীতিমালা, আইন সংশোধন, চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন ও আবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে কমিটির সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরী প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকেও তালিকার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আহত বা নিহত না হলেও গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া অনেকেই আবেদন করার সুযোগ বা প্রয়োজনীয় তথ্য পাননি।
তাঁদের নতুন করে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরির উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, সঠিক ও নির্ভুলভাবে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিতে হবে। ভবিষ্যতে তালিকা নিয়ে যাতে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না হয়, সে জন্য বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে শহীদদের সঠিক ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নেও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
পুনরায় আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম শুরু
বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সদস্য আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক প্রকৃত যোদ্ধা আবেদন ও তালিকাভুক্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ বিষয়ে অনেকেই অবগত ছিলেন না। দেশব্যাপী অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে পুনরায় আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও তালিকাভুক্তির কার্যক্রম উন্মুক্ত করেছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রী জানান, প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের শনাক্ত করতে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হবে। কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যাতে তালিকাভুক্ত হতে না পারেন, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অতীতে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তিতে যেসব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর উদ্যোগও নেওয়া হবে।
তালিকা প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও সংসদের কাছে জবাবদিহি করবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের বৈঠকে জানান, ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধের নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৮৪৩টি শহীদ পরিবার ও ১৪ হাজার ৩৬৮ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের আর্থিক সহায়তা ও মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আহত জুলাইযোদ্ধাদের দেশে-বিদেশে চিকিৎসা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও আবাসনের কার্যক্রমও চলছে।
শহীদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনের জন্য ২৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
জুলাইযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণের দাবি
বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আবদুল হান্নান বলেন, জুলাইযোদ্ধা কারা এবং তাঁদের তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোন মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে, তা সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন। অতীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞা নিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি জুলাইযোদ্ধাদেরও সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী প্রকৃত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সুস্পষ্ট সংজ্ঞার পাশাপাশি শহীদ ও আহতদের তালিকা প্রণয়নে যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করতে হবে। কোনো প্রকৃত ব্যক্তি বা পরিবার যাতে বাদ না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কমিটির সদস্য রোকেয়া বেগম, যিনি একজন জুলাই শহিদের মা, গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের আহ্বান জানান। গেজেটভুক্ত শহীদদের পাশাপাশি আরও শহীদের তথ্য যাচাই ও তালিকাভুক্তির কাজ দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তিনি।
এ ছাড়া জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের বরাদ্দ ও অর্থের ব্যবহার, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং অভিজ্ঞ গবেষক ও কিউরেশন টিমকে যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন রোকেয়া বেগম। সরকারি কর্মসূচিতে শহীদ পরিবার, আহত জুলাইযোদ্ধা ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বানও জানান তিনি।
জবাবে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন নয়; এটি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।
বিদেশে চিকিৎসায় ব্যয় ৩৮৭ কোটি টাকা
বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১৫৪ জনকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া ও তুরস্কে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৩৮৭ কোটি ২২ লাখ ১১ হাজার ৯৩৩ টাকা।
বিদেশে চিকিৎসা, শহীদ পরিবারের সঞ্চয়পত্র, জুলাইযোদ্ধাদের এককালীন অনুদান এবং শহীদ ও আহতদের মাসিক ভাতা বাবদ মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৫ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার ৩১২ টাকা।
আবাসন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় শহীদ পরিবারের জন্য ৮০৪টি এবং জুলাইযোদ্ধাদের জন্য ১ হাজার ৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। দৃষ্টিশক্তি হারানো ও পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাইযোদ্ধাদের দেশে-বিদেশে উন্নত চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি শহীদ আবু সাঈদের পিতামাতার জন্য বাসগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বৈঠকের কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও আইন সংশোধন
বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) কার্যক্রম, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি এবং অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের বিষয়েও আলোচনা হয়।
জামুকার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. ইমরান আহমেদ জানান, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটির ১০৩টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি, গেজেট নিয়মিতকরণ এবং অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে বিপুলসংখ্যক আবেদন, আপিল ও মামলা নিষ্পত্তির কাজ এখনো চলমান।
দীর্ঘ সময় পর দাখিল করা দলিলের সত্যতা যাচাই, ভুয়া কাগজপত্র ও মিথ্যা সাক্ষ্য, মামলার চাপ, জনবলসংকট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডারের অভাবকে জামুকার কার্যক্রমের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। ভবিষ্যতে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি এবং প্রয়োজনীয় আইন ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সংশোধনের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়। ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সালাউদ্দিন আহাম্মদ জানান, ট্রাস্টের অধীন ৩৪টি সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানী ভাতা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, শিক্ষাবৃত্তি ও আর্থিক অনুদানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুমোদিত ১৪২টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৯২ জন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ট্রাস্ট আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে এবং সংশোধন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে আরও সভা হতে পারে। আইনটির অগ্রগতি পরবর্তী বৈঠকে কমিটিকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনে ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প
বৈঠকে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণে সম্ভাব্য ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্পের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি জুলাই শহীদ পরিবার এবং স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতাহীন ও গুরুতর আহত জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের আরেকটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্প দুটির মেয়াদ যথাক্রমে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণের কথা রয়েছে।
এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ৪ হাজার ২৩৪টি মামলা রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। এর মধ্যে রিট মামলা ৩ হাজার ৩৩টি, আপিল মামলা ৩৬টি, রিভিউ মামলা ১৪টি, কনটেম্পট মামলা ৮৩টি এবং দেওয়ানি মামলা ১৫৫টি। এসব মামলায় সরকারের স্বার্থের অনুকূলে নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে কর্মপরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে ১০টি সিদ্ধান্ত
বিস্তারিত আলোচনার পর সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ১০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী শহীদ ও আহতদের তালিকা প্রণয়নের নীতিমালা এবং সর্বশেষ অগ্রগতি পরবর্তী সভায় উপস্থাপন।
২. জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে অগ্রগতি জানানো।
৩. প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কাউকে বাদ না দেওয়া এবং কোনো অযোগ্য ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত না করা।
৪. জুলাইযোদ্ধা, শহীদ ও আহতদের সঠিক তালিকা প্রণয়নে সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা।
৫. জুলাইযোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, আবাসন ও দক্ষতা উন্নয়নের কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন।
৬. বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সংশোধনের অগ্রগতি পরবর্তী সভায় উপস্থাপন।
৭. মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।
৮. মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণে তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা এবং যথাযথ যাচাই নিশ্চিত করা।
৯. পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সংস্থাভিত্তিক পৃথক আলোচনা করা।
১০. জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সমন্বিতভাবে কাজ করা।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরী প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন ও পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো বিরোধের বিষয় নয়; বরং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমাদের সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’
