https://www.emjanews.com/

17689

sylhet

প্রকাশিত

১০ আগস্ট ২০২৬ ১১:০২

সিলেট

এসএসসি পরীক্ষা: সিলেটে পাসের হার একযুগের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ ১১:০২

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এ ফলাফলে দেখা যায়, চলতি বছরে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যা গত এক যুগের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর সিলেট বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮৯ হাজার ৭৯ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ হাজার ৯৫৭ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ছিল ৩৫ হাজার ৪৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫৩ হাজার ৬৪১ জন।

ছাত্রদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ১২ শতাংশ, যেখানে পাস করেছে ১৯ হাজার ৮৮৯ জন। অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ, পাস করেছে ৩২ হাজার ৬৮ জন। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন, যার মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৭৪৫ জন এবং ছাত্রী ২ হাজার ৯১ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সর্বোচ্চ ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এ বিভাগে পাস করেছে ২০ হাজার ১৫৯ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৬০৮ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৩ শতাংশ, পাস করেছে ৩ হাজার ৯৮৩ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৮ জন। মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম, মাত্র ৪৮ দশমিক ১৬ শতাংশ; এ বিভাগে পাস করেছে ২৭ হাজার ৮১৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০ জন।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ জেলায় পাসের হার সর্বোচ্চ ৬২ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১৩ জন। সিলেট জেলায় পাসের হার ৬২ দশমিক ৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯১ জন। মৌলভীবাজার জেলায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৯২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২৫ জন। হবিগঞ্জ জেলায় পাসের হার সবচেয়ে কম ৫৫ দশমিক ৪০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৫ জন।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯টি। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানেই শূন্য পাসের ঘটনা ঘটেনি, যা স্বস্তির বিষয়। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাসের হারে এ ধরনের পতন শিক্ষা ব্যবস্থার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।

চাইলে এটাকে আরও বিশ্লেষণধর্মী বা ফিচার আকারেও সম্প্রসারণ করে দিতে পারি।