শিরোনাম
সাতছড়ি-রেমায় গাছ লুটের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা? চাঞ্চল্যকর গোপন নথিতে সরকারি দলের নেতাকর্মীসহ ৬২ জনের নাম সিলেটে হাম উপসর্গে আরও এক মৃ/ত্যু, ভর্তি ১০৮ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা: অনলাইন আবেদনের সময় বাড়ল শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ভারতের বার্তা লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে সিলেটের যুবক নি/হ/ত ভূমধ্যসাগরে গ্রিসগামী নৌকা ট্র্যাজেডি: সুনামগঞ্জের ৩ যুবক নিখোঁজ সিলেটে অনুমোদনহীন স্লিপার বাস সার্ভিসকে জরিমানা দেশজুড়ে অবৈধ ক্লিনিকে অভিযান, সিলেটে শনাক্ত ৮ প্রতিষ্ঠান সিলেটে ৭ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি ‘পিংক বাস’: প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক হলেন বদরুজ্জামান সেলিম

https://www.emjanews.com/

17909

sylhet

প্রকাশিত

১৯ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৬

আপডেট

১৯ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫৭

সিলেট

সিলেটের সাবেক পুলিশ কমিশনারের অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের হা/ম/লা-ভা/ঙচুর

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে জেলা পুলিশের অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায় এবং সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর উপলক্ষে জেলা পুলিশ এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তিনি এর আগে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে উপমহাপরিদর্শক চলে যাওয়ার পরও অনুষ্ঠান চলতে থাকে। এ সময় পাশের জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উচ্চস্বরে গান বাজানোর অভিযোগ তুলে শব্দ কমানোর অনুরোধ জানাতে পুলিশ লাইন্সে যান।

এ নিয়ে আয়োজক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সে প্রবেশ করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের পরীক্ষা থাকায় উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। তারা প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেছিলেন। সাময়িকভাবে শব্দ কমানো হলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, তর্কের একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ চালায়। এ ঘটনার বিচার দাবি করে তারা দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান এবং অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে পুলিশ লাইন্সে এ ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।