https://www.emjanews.com/

18958

national

প্রকাশিত

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:১৩

আপডেট

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:২১

জাতীয়

সড়কটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, শেষ করতেই হবে: এ্যানি

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:১৩

মিয়ানমার সীমান্তবর্তী কক্সবাজারের টেকনাফে নির্মাণাধীন ৬১ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, নানা জটিলতা ও প্রশ্ন থাকলেও জনস্বার্থে সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টেকনাফের সীমান্তবর্তী নাফ নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সড়কটি চালু হলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। এতে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানোসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে।

সড়ক নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকল্পটি তিন দফা সংশোধন ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একটি প্রকল্প বারবার সংশোধন হওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ্যানি বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকার, আমাদের দায়িত্ব আছে। এখন এই মুহূর্তে এটা আমাদের একটা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার এটাকে শেষও করতে হবে। বসে থাকলে তো চলবে না।’

তিনি আরও বলেন, অতীতে এ প্রকল্পে কিছু ভুল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কাজটি শেষ করা। জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে দেশের স্বার্থে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, সড়কটি শুধু যোগাযোগ অবকাঠামো নয়, এটি সীমান্ত নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্মাণকাজ শেষ হলে টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনীক চৌধুরীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিকেলে তিনি শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধ ও নাফ নদীর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে নাফ নদীর তীর ঘেঁষে ৬১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষা সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন দফা সংশোধনের পর প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ৩৫৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম থেকে উখিয়ার পালংখালী হয়ে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। বর্তমানে কাজটি ধীরগতিতে চলমান রয়েছে।