শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে প্রাথমিকের নতুন শিক্ষকদের পদায়ন পেছালো নিজের ঘর সামলান, তারপর অন্যকে নসিহত: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী ‘হুজুর মাথা টিপার কথা বলে রুমে ডেকে প্যান্ট খুলে ফেলতেন’-নির্যাতিত শিশুর বর্ণনা কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে তাণ্ডব, ৮ হাজারের অধিক পানগাছ কর্তন​ সিলেটে ভারতীয় অ/স্ত্রসহ কোটি টাকার চালান জব্দ সিলেটে যে ভাইরাসে হলো কিশোরের প্রাণহানী এবার কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী: উন্নয়নকাজে অনিয়ম ঠেকাতে দরকার স্থানীয়দের নজরদারি

https://www.emjanews.com/

19228

sylhet

প্রকাশিত

০১ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:২২

সিলেট

সুরমার তীরে মোবাইল ব্যবসার বর্জ্য, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন সিসিক প্রশাসক

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:২২

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট নগরের কদমতলী দরিয়াশাহ মাজার সড়কসংলগ্ন সুরমা নদীর তীরে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিত্যক্ত সামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের অপচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কদমতলী এলাকার নদীতীর পরিদর্শনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের নদীর তীরে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলতে সতর্ক করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য ‘গ্রিন নগরী’ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সিসিক। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে সেই উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে পলিথিনসহ অপচনশীল বর্জ্য নদী, ছড়া ও ড্রেনে ফেলার ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য ব্যবসায়ীসহ নগরের সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদীর তীর, ছড়া কিংবা ড্রেনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এসব স্থানে বর্জ্য ফেলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

এদিকে কদমতলী এলাকার শাহজালাল সেতুর পাশে থাকা খালি জায়গায় একটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। মাঠটি নির্মিত হলে ওই এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি বর্তমানে অব্যবহৃত জায়গাটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

পরিদর্শনকালে সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।