শিরোনাম
সিলেটের এক জেলায় পরিবহন ধর্মঘট আজ: বিভাগজুড়ে ভোগান্তির আশঙ্কা সিলেটে ট্রাকের উপরে বালি, নিচে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চালান এবার কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী: উন্নয়নকাজে অনিয়ম ঠেকাতে দরকার স্থানীয়দের নজরদারি সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন আট/ক, শতাধিক গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সহকারী অধ্যাপক পদে ২৮ চিকিৎসকের পদোন্নতি: সিলেটের দুজন যাদুকাটার দুই মহালে বালু উত্তোলন স্থগিত, হাইকোর্টের রুল সিলেট-ঢাকা যাত্রায় কমবে ৪০ কিলোমিটার পথ, সরাইল-নাসিরনগর সড়কের কাজ শুরু

https://www.emjanews.com/

19199

sylhet

প্রকাশিত

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:১৫

আপডেট

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:১৬

সিলেট

সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:১৫

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্ত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির এক দফা দাবিতে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। টানা আন্দোলনের কারণে আজও বন্ধ রয়েছে কলেজের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাবসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

দাবি আদায়ে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্লেকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা উত্তাল করে তোলেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, জেলা প্রশাসন ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি। লিখিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এর আগে, আন্দোলনের তৃতীয় দিনে প্রশাসনিক ভবনে টানা প্রায় ৩৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর অধ্যক্ষসহ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মুক্তি দেন শিক্ষার্থীরা। তবে মুক্তি পেলেও তাদের ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, অধ্যক্ষসহ শিক্ষকরা ক্যাম্পাসেই অবস্থান করছেন এবং দফায় দফায় বৈঠক করছেন। শিক্ষার্থীরা মূল ফটকে তালা দিয়ে রাখায় প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারবেন না এবং সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকায় তাদের ডিগ্রির মান ও স্বকীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় কলেজটিকে শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করা অথবা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।