২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
এ বছরের অক্টোবরে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার সিংহভাগ নিরসনের আশা
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:১৫
ছবি: ইমজা নিউজ
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার সিংহভাগ আগামী অক্টোবরের মধ্যে নিরসন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এসব জটিলতা কাটলে মহাসড়কের নির্মাণকাজ আরও গতি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের কুরুয়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন আগে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী হবিগঞ্জ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন। তাঁর আশা, ২০২৮ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৯ সালের মাঝামাঝি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পুরো কাজ শেষ হবে। সিলেট অংশের কাজও ২০২৮ সালের মধ্যে ভালোভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা করছেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত মোট ১১৩টি মামলার অধিকাংশ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। অবশিষ্ট মামলাগুলোও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কাজ চলছে।
তিনি বলেন, আগামী অক্টোবরের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার সিংহভাগ নিরসন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। জটিলতা কমে গেলে নির্মাণকাজের গতিও আরও বাড়বে।
সিলেট অংশের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি সিলেটের একটি অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়কের নির্মাণকাজ ২০২৯ সালের মাঝামাঝি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস চক্রবর্তী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসটিএস ফখর উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহ এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদসহ সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি নথিতেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
