শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে প্রাথমিকের নতুন শিক্ষকদের পদায়ন পেছালো নিজের ঘর সামলান, তারপর অন্যকে নসিহত: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী ‘হুজুর মাথা টিপার কথা বলে রুমে ডেকে প্যান্ট খুলে ফেলতেন’-নির্যাতিত শিশুর বর্ণনা কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে তাণ্ডব, ৮ হাজারের অধিক পানগাছ কর্তন​ সিলেটে ভারতীয় অ/স্ত্রসহ কোটি টাকার চালান জব্দ সিলেটে যে ভাইরাসে হলো কিশোরের প্রাণহানী এবার কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী: উন্নয়নকাজে অনিয়ম ঠেকাতে দরকার স্থানীয়দের নজরদারি

https://www.emjanews.com/

19229

sylhet

প্রকাশিত

০১ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৩০

সিলেট

নতুন ওয়ার্ডে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প: সিসিক প্রশাসক

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৩০

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নাগরিক সুবিধা বাড়াতে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব এলাকায় সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের বেশ কিছু কাজ ইতোমধ্যে শেষের দিকে। কিছু কাজ চলছে, আর কয়েকটি প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ধাপে ধাপে এসব উন্নয়নকাজ শেষ করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মেজরটিলার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, তা টেকসই করা এবং হোল্ডিং ট্যাক্স চালুর বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি করপোরেশনের আওতায় আসার পর এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সমান নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সিসিক।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম চলেছে। পরে নতুন করে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। তবে ওয়ার্ড বাড়লেও সিসিকের নিজস্ব আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। অথচ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় থেকেই বিভিন্ন উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার ব্যয় মেটাতে হয়।

এ কারণে নগরের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বাড়াতে এবং নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে সিসিকের নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়ানো জরুরি বলে উল্লেখ করেন প্রশাসক।

এ সময় নগরবাসীর প্রতি নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নাগরিকদের দেওয়া করের অর্থই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ সময় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার হোসেন নাদিম, সাবেক কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, সাবেক কাউন্সিলর সাজেদা বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।