শিরোনাম
আরিফুল হক চৌধুরীর ইসিজি ও রক্তপরীক্ষা করা হয়েছে, আশঙ্কামুক্ত বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট টেস্টে শুরুতেই বাংলাদেশের ছন্দপতন, হাসানের আগুনের পর ব্যাটিংয়ে জোড়া ধাক্কা সিলেটের ‘নিষিদ্ধ’; যুবলীগের মিছিল, ১২ জন আটক বিনা খরচে মালয়েশিয়ায়কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে দুই শটগান, গুলি ও মদ উদ্ধার ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী দুই দিনের সফরে শুক্রবার সিলেট আসছেন মন্ত্রী মুক্তাদির ফ্যাসিস্ট আমলে ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র হয়েছে: এমপি লুনা সিলেটের পর এবার খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

https://www.emjanews.com/

20382

sylhet

প্রকাশিত

০৬ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:০৩

আপডেট

০৬ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:০৮

সিলেট

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী শফি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সবাই, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় পরিবার

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:০৩

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি হত্যা মামলায় দীর্ঘ নয় মাস পর পলাতক সর্বশেষ আসামিও আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী আলোচিত এ হত্যা মামলার তিন আসামিই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আইনের আওতায় এলেন। এখন পরিবারের একটাই দাবিহত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

সর্বশেষ আত্মসমর্পণকারী আসামি আব্দুল মুহিত মায়েদ সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার গঙ্গাজল গ্রামের মো. আব্দুছ ছাত্তারের ছেলে। গত ৩ নভেম্বর জকিগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে তিনি প্রায় নয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুরহান উদ্দিন শফি প্রায় ৪০ বছর ধরে পরিবারসহ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করতেন। গত ২৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে সিলেট নগরের চৌকিদেখী এলাকার ১ নম্বর গলিতে নিজের বাসায় ওঠেন তিনি। ৩০ জানুয়ারি কুলাউড়ায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন শফি।

এ ঘটনায় ৩১ জানুয়ারি সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর বোন শাহ আছমা জাহান। নিখোঁজের চার দিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি জকিগঞ্জের একটি হাওর থেকে বুরহান উদ্দিন শফির (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় জকিগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তাঁর বোন শাহ আছমা জাহান।

হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২০ দিন পর গত ২০ ফেব্রুয়ারি মামলার প্রধান আসামি সৈয়দ মেহরাজ উজ সামাদ ওরফে শোভন এবং দ্বিতীয় আসামি মো. সাব্বির আহমদকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

প্রধান আসামি শোভন ওসমানীনগর উপজেলার উছমানপুর গ্রামের সৈয়দ মহিবুর ছামাদ ওরফে শাহীনের ছেলে। দ্বিতীয় আসামি সাব্বির জকিগঞ্জ উপজেলার ইলাবাজ গ্রামের আব্দুস সামাদ দুলনের ছেলে। এরপর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন মামলার তৃতীয় আসামি আব্দুল মুহিত মায়েদ। অবশেষে গত ৩ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

এদিকে মামলার সব আসামি আইনের আওতায় আসায় এবার বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

নিহত বুরহান উদ্দিন শফির বোন ও মামলার বাদী শাহ আছমা জাহান বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব খুনির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ভাইকে হয়তো আর ফিরে পাব না। তবে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হলে পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও শান্তি পাবেন।’

তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রত্যাশা করছেন। এখন সব আসামি আইনের আওতায় আসায় দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই তাঁদের প্রত্যাশা।