শিরোনাম
ছাতক-সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগে ১৫ বছরের মহালুট: প্রধানমন্ত্রীর বরাবর অভিযোগ ৫ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ছয় রুটে বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল দুই বার বদলের পর সিলেটের অডিটোরিয়াম ফিরছে সাইফুর রহমানের নামে সিলেট সিটি কর্পোরেশনসহ স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী সিলেটে ঝোপের ভেতর মিললো মানব ক*ঙ্কা*ল মধ্যপ্রাচ্যগামী ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল সিলেটে ঝুঁ’কিপূর্ণ একটি ভবন দ্রুত ভা’ঙার নির্দেশ আমিরাতের বন্দরে ৩১ নাবিক নিয়ে আটকা পড়েছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সংসদের হুইপ হলেন হবিগঞ্জের জি কে গউছ সিলেটের চা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্রিটিশ বিনিয়োগের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

https://www.emjanews.com/

7725

international

প্রকাশিত

২৭ জুলাই ২০২৫ ১৪:১৮

আপডেট

২৭ জুলাই ২০২৫ ১৫:৪৮

আন্তর্জাতিক

বন্যার পানিতে দাঁড়িয়ে বিয়ে, ভালোবাসার পরীক্ষায় উজ্জ্বল ফিলিপাইনের এক যুগল

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৫ ১৪:১৮

ছবি: সংগৃহিত।

প্রকৃতির রূঢ়তা ভালোবাসাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ঘূর্ণিঝড় ‘উইফার’-এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতার মাঝেই ফিলিপাইনের বুলাকান প্রদেশে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জেড রিক ভারদিলো ও জ্যামাইকা আগুইলার।

দশ বছরের পরিচয়ের পর দুই পরিবারের সম্মতিতে ২২ জুলাই ছিল তাদের বিয়ের নির্ধারিত দিন। কিন্তু সেই সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে ভারী বর্ষণ শুরু হয় বুলাকান অঞ্চলে। পানি জমে যায় বারাসোয়াইন গির্জাতেও-যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনেও বিয়ের তারিখ বদলাননি জুটি। বিশেষ দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ঠিক করেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক, বিয়েটা করতেই হবে। তাই প্লাবিত গির্জার ভেতরে হাটু পানিতে দাঁড়িয়ে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন তারা।

বর ভারদিলো বলেন, ‘এই দিনটা বেছে নেওয়ার পেছনে সাহস আর ভালোবাসাই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। আজ যদি বিয়ে না করতাম, ভবিষ্যতে আরও বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হতো।’

কনে আগুইলার পানির মধ্যেই তাঁর সাদা গাউন পরে হাজির হন বিয়ের বেদিতে। গাউনের ভেজা অংশ টেনে টেনে সামনে এগিয়ে যান তিনি, যেখানে বর অপেক্ষায় ছিলেন হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে।

বিয়েতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উপস্থিত হন স্বজনেরা। অতিথি জিগো সান্তোস বলেন, ‘এই বিয়েতে প্রমাণ হলো-শেষ পর্যন্ত ভালোবাসাই জয়ী হয়। ঝড়, বৃষ্টি আর বন্যার মাঝেও তারা এক হলো, সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।’

অসাধারণ এই দৃশ্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলছেন, ভালোবাসার এমন নিঃস্বার্থ ও সাহসী দৃষ্টান্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে দীর্ঘদিন।