শিরোনাম
‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী ফেসবুক পোস্টে জানালেন দুপুরে পদত্যাগ করবেন ইশরাক ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জে সিলেট অভিমুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন সোমবার সিলেটে ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী, যাবেন পূজামণ্ডপে চেলা নদীতে বালু লুট: মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে, নির্দোষদের আসামি করার অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে মামলা, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন সিলেটে যে কারণে স্বপন ও আকাশকে ধরল পুলিশ

https://www.emjanews.com/

9154

national

প্রকাশিত

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:৫২

আপডেট

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭:২২

জাতীয়

পঞ্চদশ ও চতুর্থ সংশোধনী বাতিল, বিচারক নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টে: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:৫২

ছবি: সংগৃহীত।

হাইকোর্ট জানিয়েছে, এখন থেকে সারা দেশের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের অধীনে থাকবে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী ও চতুর্থ সংশোধনীর বিধান বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত আগামী তিন মাসের মধ্যে আলাদা সচিবালয় গঠনের নির্দেশও দিয়েছেন।

রায়ের প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা গেছে, ১৩ আগস্ট বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। এই রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং ইন্টারভেনর হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।

মামলাটি ২৩ এপ্রিল শুনানি শুরু করে, যা মূলত ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা হয়। প্রযোজ্য (সংশোধিত) সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বর্তমানে বলা হয়েছে, ‘অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, পদোন্নতি, বদলি ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর থাকবে’। কিন্তু মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে এই দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল।

হাইকোর্টের এই রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্য পুনঃস্থাপন করছে।