শিরোনাম
‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী ফেসবুক পোস্টে জানালেন দুপুরে পদত্যাগ করবেন ইশরাক ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জে সিলেট অভিমুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন সোমবার সিলেটে ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী, যাবেন পূজামণ্ডপে চেলা নদীতে বালু লুট: মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে, নির্দোষদের আসামি করার অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে মামলা, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন সিলেটে যে কারণে স্বপন ও আকাশকে ধরল পুলিশ

https://www.emjanews.com/

9859

national

প্রকাশিত

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২২

আপডেট

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২২:৫০

জাতীয়

ভারত হয়ে তৃতীয় দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইলিশ

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২২

ছবি: সংগৃহীত।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা বুকিত বিনতাং। সেখানকার বাংলাদেশি খাবার হোটেলগুলোতে সারা বছরই পাওয়া যায় পদ্মার ইলিশ। এক টুকরো ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ রিঙ্গিত দরে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা।

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ থাকলেও কিভাবে বিদেশে ইলিশ যাচ্ছে? কুয়ালালামপুরের এক হোটেল ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এসব ইলিশ সরাসরি বাংলাদেশ থেকে আসে না, আসে ভারত হয়ে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা চুক্তি করেন, তবে রপ্তানি হয় ভারতীয় লাইসেন্স ব্যবহার করে। একই চিত্র সিঙ্গাপুরেও। সেখানকার এক প্রবাসী বাংলাদেশি  বলেন, তারা ৫০-৬০ ডলার রেটে (বাংলাদেশি টাকায় ৬-৭ হাজার) ইলিশ কিনে থাকেন।

সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রপ্তানি

কলকাতার হাওড়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ীরা জানালেন, পূজার সময় ছাড়া বাংলাদেশ থেকে ইলিশ যাওয়ার সরকারি অনুমতি থাকে না। তবে সারা বছর চোরাই পথে ইলিশ যায় ভারতে, যার প্রায় ৮০ শতাংশ পুনরায় রপ্তানি হয় তৃতীয় দেশে। এ পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ ও ভারতের শক্তিশালী এক সিন্ডিকেট।

বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালী রপ্তানিকারক এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। 

ভারতীয় লাইসেন্সে রি-এক্সপোর্ট

ভারতের মাছ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন  বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা। ওই নেতাদের সহযোগিতায় ভারতীয় আত্মীয়স্বজনদের নামে লাইসেন্স করিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই লাইসেন্স ব্যবহার করেই ইলিশ রপ্তানি হয় মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে।