https://www.emjanews.com/

12279

sylhet

প্রকাশিত

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪৮

সিলেট

দোয়ারাবাজার-শরীফপুর ব্রিজ নয়, যেনো মরণ ফাঁদ

প্রকাশ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪৮

ছবি: ইমজা নিউজ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর থেকে সীমান্তের ৪ ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা চিলাই ও সুরমা নদীর মোহনায় নির্মিত জরাজীর্ণ ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে ছোট-বড় হাজারো যানবাহন চলাচল করার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় এটি এখন ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটির একাধিক স্থানে রেলিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।

সম্প্রতি নতুন করে আরও বেশ কয়েকটি অংশে রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি পাটাতনের ভাঙন আগের মতোই রয়ে গেছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পাটাতনের ফাঁক দিয়ে কারো পা ঢুকে গেলে স্থায়ী পঙ্গুত্ব কিংবা প্রাণহানির মতো ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসতে পারে।

এলাকাবাসী জানান, ব্রিজটি শুধু স্থানীয় যোগাযোগ নয়, সীমান্তসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ পথ হওয়ায় এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

অথচ প্রতিদিন মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে।

শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজী মহিবুর রহমান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি এখন চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এরপরও প্রতিনিয়ত ভারী যানবাহন চলাচল করছে। যেকোন সময় ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

ভূজনা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, ‘উপজেলা সদরের এই ব্রিজটির বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নেই।’

একাধিক স্থানে পাটাতন ও ঢালাই ভেঙে বড় গর্ত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও নিয়মিত ট্রাকসহ ভারী যান চলাচল করছে। গাড়ী উঠলে ব্রিজ কাঁপে। ব্রিজটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দেখার কেউ নেই। বড় ধরনের দুর্ঘটনার পর সচেতন হয়ে তো কোন লাভ নেই। দ্রুত সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা সভাপতি আব্দুল আউয়াল ইমজা নিউজকে বলেন, ‘এখনই ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহ ইমজা নিউজকে বলেন, ‘ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিমধ্যে সংস্কারের জন্য এডিপির বরাদ্দ হয়েছে, তবে এখনও টেন্ডার হয়নি।’