https://www.emjanews.com/

12350

entertainment

প্রকাশিত

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:২৪

বিনোদন

ঢাকায় আতিফ আসলাম: গোপনে একের পর এক প্রাইভেট শো

প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:২৪

ছবি: সংগৃহিত।

১৩ ডিসেম্বর ঢাকার পূর্বাচলে ‘মেইন স্টেজ ইনক’ আয়োজিত একটি বিশাল কনসার্টে সংগীত পরিবেশনের কথা ছিল পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের। তবে শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তাজনিত ছাড়পত্র না পাওয়ায় আয়োজকরা কনসার্টটি বাতিল ঘোষণা করেন। পরে আতিফ আসলাম নিজেও কনসার্ট বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এতে অনেকেই ধারণা করেছিলেন, কনসার্ট বাতিল হওয়ায় আতিফ আসলাম হয়তো ঢাকায় আর আসছেন না। কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পারফরম্যান্সের একের পর এক ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হতে শুরু করে।

একটি সূত্র জানায়, পাবলিক কনসার্ট বাতিল হলেও ঢাকা সফর বাতিল করেননি আতিফ আসলাম। বরং তিনি ঢাকায় এসে পর্দার আড়ালে একাধিক প্রাইভেট বা ব্যক্তিগত শোতে অংশ নিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্ট ও ভিডিও থেকে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার আভিজাত্যপূর্ণ গুলশান ক্লাবে একটি বিশেষ ইনডোর শোতে পারফর্ম করেন।

‘দ্য ফাইনাল নোট: আতিফ আসলাম’ শিরোনামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানের কোনো পূর্বঘোষণা না থাকলেও অনুষ্ঠান শেষে নেটিজেনদের শেয়ার করা ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাকে তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করতে দেখা যায়।

এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে আতিফ আসলামের পারফর্ম করার খবর পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠে আয়োজিত কনসার্টটির নাম ছিল ‘মিউজিক বিয়ন্ড বাউন্ডারিস’। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে আতিফের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মিনার রহমান ও প্রীতম হাসানও গান পরিবেশন করেন।

তবে এ কনসার্টে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অ্যালামনাইদের প্রবেশের অনুমতি ছিল। বাইরের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ও অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর লক্ষ্যে আতিফ আসলামের অংশগ্রহণের বিষয়টি অনেকটাই গোপন রাখা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পাবলিক কনসার্ট বাতিল হলেও প্রাইভেট শো কেন অনুষ্ঠিত হচ্ছে- এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠলেও সচেতন মহলের ব্যাখ্যা ভিন্ন। তাদের মতে, বড় পাবলিক কনসার্টে বিপুল জনসমাগম হয়, যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। সে কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের বড় জনসমাগম এড়িয়ে সীমিত পরিসরে আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।