শিরোনাম
পৌষসংক্রান্তিতে শেরপুরে শতবর্ষী মাছের মেলা তিন শর্ত মেনে অঙ্গীকারনামা দিতে বলায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ফের বাড়তে পারে শীত, ১০ জেলায় তাপমাত্রা নামার আশঙ্কা জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট সিলেটে বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালুকাটা রোগীদের প্লাস্টিক সার্জারির উদ্বোধন সিলেটে দোকানে গ্যাস নেই, বাড়িতে বিশাল মজুত : জ রি মা না সিলেটে পৃথক অভিযানে আ-ট-ক তিন : ৬ লাখ টাকা, চো-রা-ই মোটরসাইকেল উ-দ্ধা-র সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শাটডাউন চলছে : হয়নি ক্লাস-পরীক্ষা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন কাশ্মীরের শাক্সগাম উপত্যকাকে নিজের ভূখণ্ড দাবি করল চীন

https://www.emjanews.com/

12995

jobs

প্রকাশিত

১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৪৫

চাকুরী

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মেলেনি, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৪৫

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, `সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্ন ফাঁস, অনিয়ম ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠলেও তদন্তে এর কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।'

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত ফল প্রকাশের জন্য অধিদপ্তর আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সম্প্রতি একদল নিয়োগপ্রত্যাশী বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

আন্দোলনরত নিয়োগপ্রত্যাশীরা দাবি জানান- সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে; সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজন করতে হবে; প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে; একটি স্বতন্ত্র কমিটির অধীনে সব নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা করতে হবে; একই দিনে ও একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা আয়োজন বন্ধ করতে হবে; যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতীতে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না; এবং প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণে সচেষ্ট রয়েছে।