শিরোনাম
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল মালয়েশিয়ায় লরি দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নি হ ত, একজন গুরুতর আ হ ত শিশু নিবাসগুলো সরকারি সম্পদ তৈরির কারখানা: জেলা প্রশাসক জকিগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃ ত্যু ‘এখন সকাল-বিকাল দল থেকে ফোন আসে মন্ত্রীত্ব দিবে, আসনটি ছেড়ে দেবার জন্য’-রুমিন ফারহানা  চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর আভাস চট্টগ্রাম শহরে ৩৩০ ‘দু/ষ্কৃতকারীর’ অবস্থান ও প্রবেশ নি ষি দ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওরসহ জলাভূমির প্রকৃতি রক্ষায় নতুন পদক্ষেপ নিল সরকার ইরানের প্রশংসায় ট্রাম্প ফাঁকা ৪৭ আসন নিয়ে জামায়াতের জোটে নয়া আলোচনার সূচনা

https://www.emjanews.com/

13114

national

প্রকাশিত

১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:২২

জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরসহ জলাভূমির প্রকৃতি রক্ষায় নতুন পদক্ষেপ নিল সরকার

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:২২

ছবি: সংগৃহীত

দেশের হাওর ও জলাভূমির অবৈধ দখল, ভরাট এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করার ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে অন্তঃবর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, হাওর-জলাভূমি সংক্রান্ত কোনো অপরাধের জন্য অধিকতম দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গেজেট প্রকাশিত হয়। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে, হাওর বা খাল-নদীর অবৈধ দখল, ভরাট, অননুমোদিত খনন, মাটি-বালু-পাথর আহরণ, পরিযায়ী পাখি ও জলজ প্রাণী শিকার, জলাবন বিনষ্ট এবং নিষিদ্ধ উপকরণ দিয়ে মাছ ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধ ‘আমলযোগ্য’ ও ‘অ-জামিনযোগ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

অধ্যাদেশের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাওর ও জলাভূমিতে সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রকল্প গ্রহণের আগে তাদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে। এছাড়া সরকার চাইলে কোনো হাওর বা জলাভূমিকে ‘সংরক্ষিত এলাকা’ ঘোষণা করতে পারবে এবং ক্ষতিকর স্থাপনা অপসারণ বা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

পরিবেশকর্মী সারোয়ার জাহান বলেন, ‘নতুন অধ্যাদেশের ফলে অবৈধ খনন, বালি-পাথর লুট এবং নদী-খালের দখল বন্ধ করা সম্ভব হবে এবং হাওরের স্বাভাবিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।’

গ্রীণ বাংলাদেশ সমন্বয়কও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর ও পাটলাই নদীর তীরবর্তী এলাকা দীর্ঘদিন ধরে দখল ও দূষণের শিকার হলেও নতুন আইন প্রয়োগে পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

অধ্যাদেশটি অবিলম্বে সারাদেশে কার্যকর হবে এবং দেশের হাওর-জলাভূমি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সরকারের পাশাপাশি পরিবেশবাদীরাও।