শিরোনাম
প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক ভারতে কয়লা খনিতে সিলেটের যুবকের মৃ/ত্যু সুনামগঞ্জের ৩ যুবককে কাশ্মীরে পাচার, দফায় দফায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সালমান শাহ হ/ত্যা: ডনের আচরণে মিলেছে ‘সংশ্লিষ্টতার আভাস’ সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল শিগগিরই, থাকবে সিসিটিভি-বডি ক্যামেরা সিলেট-ঢাকাসহ সকল মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা কিশোরীকে শিকল পরিয়ে নির্যাতনকারী ৩ জন আটক টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে আটক পুলিশের ভিডিও করায় সাংবাদিককে হ/ত্যা/র হুমকি! সিলেটের জিন্দাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বছরের শিশুর মৃ/ত্যু

https://www.emjanews.com/

13515

surplus

প্রকাশিত

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:০২

অন্যান্য

প্রবাসে গ্রামবাংলার স্বাদ: মালয়েশিয়ায় `পিঠা-পুলির আনন্দমেলা'

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:০২

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রবাসের মাটিতে জীবন্ত করে তুলতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের নারী কল্যাণ শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণিল `পিঠা-পুলির আনন্দমেলা'। উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় গ্রামবাংলার উষ্ণ আবহ।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়ার সানওয়ে এলাকার স্টার কাবাব রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার, ডিফেন্স অ্যাডভাইজর, মিনিস্টার (লেবার), দূতালয় প্রধান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (বাণিজ্যিক)।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, নারী কল্যাণ শাখার চেয়ারপার্সন বেদৌরা নাজনীন ঈষিতা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানস্থলটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী থিমে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়, যা অতিথিদের দৃষ্টি কাড়ে শুরু থেকেই। মেলায় বাহারি পিঠা-পুলির পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় নানা জনপ্রিয় বাংলাদেশি খাবার। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ কুলায় পরিবেশিত পিঠা, যা অতিথিদের মাঝে আলাদা প্রশংসা কুড়ায়।

এই আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসাকে আরও দৃঢ় করেছে এবং পারস্পরিক সামাজিক বন্ধনকে করেছে সুসংহত। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।