শিরোনাম
ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু মঙ্গলবার সিলেটে হৃদয় হরিজন হত্যা: ১২ ঘণ্টা পরও গ্রেপ্তার নেই সিলেটের গোয়াইনঘাটে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় একমাত্র আসামীর মৃত্যুদণ্ড সিলেটসহ সারাদেশের নির্বাচন নিয়ে ঘোষণা আজ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে বিএনপি ভারতে বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক: যাচ্ছেন না সালাহউদ্দিন আহমদ মণিপুরে সহিংসতা: ৪৮ ঘণ্টায় ৯ মৃত্যু, মোদি-খেমচাঁদ বৈঠক সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ পরিবর্তনের আশ্বাস রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

https://www.emjanews.com/

13571

surplus

প্রকাশিত

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১:৪৩

অন্যান্য

রাবিতে মাস্টার্স পরীক্ষায় নকল চেষ্টা: ধরা পড়েছেন সিনেট সদস্য

প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১:৪৩

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) নির্বাচিত সিনেট সদস্য ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আকিল বিন তালিব মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। ঘটনা ঘটে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের পরীক্ষার হলে।

আইন বিভাগের ‘ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটি ল’ কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আকিল পরীক্ষার সময় আগের একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের পেছনের অংশে কিছু রেফারেন্স ও ধারা লিখে এনেছিলেন। পরে তার উত্তরপত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষক অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলামের নজরে আসে এবং পরীক্ষার বাকি ১৫ মিনিটে তাকে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

পরীক্ষার প্রধান পরিদর্শক ছিলেন অধ্যাপক আব্দুল আলীম। পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম ও অধ্যাপক আনিসুর রহমান। মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষার সময় আকিলের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পাশের শিক্ষার্থীকে সরিয়ে নিয়ে তার কাগজপত্র পরীক্ষা করি। তখন দেখা যায়, তিনি আগের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের পেছনের পুরো পাতা লিখে এনেছেন। বিষয়টি আমি প্রধান পরিদর্শককে জানাই।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আকিলের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম জানান, ‘অভিযোগ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, তবে সেই অনুযায়ী আবেদন করা হয়নি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। শিক্ষার্থীকে আটক করা ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করার দায়িত্ব ছিল পরিদর্শকের।’

অপরদিকে আকিল বিন তালিব দাবি করেছেন, ‘আমি কোনো নকল করার চেষ্টা করি নি। মূলত আগের একটি প্রশ্নপত্রের পেছনে কিছু রেফারেন্স ও ধারা লিখে এনেছিলাম। পুরো পাতাজুড়ে কোনো লেখা ছিল না।’