শিরোনাম
সিলেটে অবৈধ যানের শোরুম বন্ধে কঠোর এসএমপি সিলেটে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ভোজ্যতেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সাথে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জামিনে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৭ এপ্রিল শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে চোরাচালান ও বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর মালয়েশিয়াসহ সব দেশের শ্রমবাজার নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী সিলেট সীমান্তে বড় ধরনের অভিযানে বিজিবি: জব্দ প্রায় কোটি টাকার পণ্য সিলেটের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন একডজন প্রার্থী বেইলি রোডে সপরিবারে নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

https://www.emjanews.com/

14265

sylhet

প্রকাশিত

০৯ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩৫

সিলেট

বিদেশি নারীর সাথে সিলেটের আ’লীগ নেতার কান্ড: ঠাঁই হলো কা/রা/গা/রে

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩৫

প্রতীকী ছবি

কাতারে বসবাসরত সিলেটের এক প্রবাসীকে বিদেশি এক নারীর গর্ভপাতের চেষ্টা এবং অবৈধ ওষুধ সেবন করানোর অভিযোগে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি কাতারের একটি কারাগারে রয়েছেন।

আটক ব্যক্তি মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের রাঙ্গিছড়া গ্রামের রইছ মিয়ার ছেলে নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগে নেতা ইরফান মিয়া। প্রবাসে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিতেন বলে জানা গেছে।

কাতারে বসবাসরত কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী নারী দেশটিতে বসবাসরত অন্য একটি দেশের নাগরিক। একটি সামাজিক অনুষ্ঠান বা ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে তার সঙ্গে ইরফান মিয়ার পরিচয় হয়। ওই নারীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইরফান তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে তিনি গর্ভবতী হলে তাকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়।

কাতারের আইনে গর্ভপাত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে মায়ের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ অনুমতির ভিত্তিতে তা করা যেতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অবৈধভাবে গর্ভপাতের ওষুধ সংগ্রহ করে ওই নারীকে সেবন করানো হয়। এতে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মনে করে কাতারের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করে। পরে তদন্তে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর ইরফান মিয়াকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

কাতারের পেনাল কোড অনুযায়ী অবৈধ গর্ভপাতকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী প্রমাণিত হলে কয়েক বছর থেকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড হতে পারে। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানা বা দেশ থেকে বহিষ্কারের বিধানও রয়েছে।

এদিকে কাতারে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশের দাবি, এই ঘটনার বাইরে ইরফান মিয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণার আরও অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ব্যবসায় অংশীদার করার প্রলোভন দেখিয়ে কিছু মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ঘটনার পর কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে এ নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ বিষয়ে ইরফান মিয়ার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে প্রশ্ন পাঠাতে বলা হয়। তবে প্রশ্ন পাঠানোর পরও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।