দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় ২ নারী নি/হ/ত, উদ্ধার অভিযান ব্যাহত
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৮
ছবি: সংগৃহীত
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত অবস্থায় আরও একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন- রেহেনা বেগম (৬০), তার বাড়ি রাজবাড়ীর ভবানীপুর এলাকায় এবং মর্জিনা বেগম (৫৫)। মর্জিনার বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এছাড়া নুসরাত (২৯) নামের এক নারী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মারুফ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং অপরজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ইতোমধ্যে ডুবে যাওয়া বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে। তবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটছে।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ছোট ফেরি এসে পন্টুনে সজোরে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
দৌলতদিয়া ঘাটের তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন বলেন, ‘চোখের সামনে বাসটি নদীতে পড়ে গেল, আমরা কিছুই করতে পারিনি।’ তিনি আরও জানান, বাসটিতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন যাত্রী বের হতে পারলেও অধিকাংশই বাসের ভেতরে আটকা পড়েছেন।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা কাজ করছে।
