https://www.emjanews.com/

14565

surplus

প্রকাশিত

২৮ মার্চ ২০২৬ ১৯:০০

অন্যান্য

বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাবির ১০ বিভাগ

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৯:০০

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা Quacquarelli Symonds (কিউএস)-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র‌্যাংকিং-২০২৬’-এ প্রথমবারের মতো ১০টি বিভাগ স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যা দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অর্জন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৫ মার্চ কিউএস তাদের বিষয়ভিত্তিক র‌্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, গত বছর এই তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি বিভাগ স্থান পেয়েছিল।

প্রতি বছরের মতো মার্চ মাসেই প্রকাশিত এই র‌্যাংকিংয়ে দুটি ক্যাটাগরি রাখা হয়-ব্রড সাবজেক্ট এবং ন্যারো সাবজেক্ট। ব্রড সাবজেক্টে পাঁচটি প্রধান বিভাগ থাকলেও এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি ক্যাটাগরিতে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ন্যারো সাবজেক্টের ৫৫টি বিভাগের মধ্যে ১০টিতে স্থান পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কিউএসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সোশ্যাল সাইন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে বৈশ্বিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৩৭১তম, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই ক্যাটাগরিতে একাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্স বিভাগ ৩০১–৩৭৫, ইকোনমিকস অ্যান্ড ইকোনোমেট্রিকস ৩০১–৩৫০ এবং বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ৪০১–৪৫০-এর মধ্যে অবস্থান করছে।

ন্যাচারাল সাইন্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার বৈশ্বিক অবস্থান ৫০১–৫৫০-এর মধ্যে। এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত রসায়ন বিভাগ ৫৫১–৬০০, পরিবেশ বিজ্ঞান ৪০১–৪৫০ এবং পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিদ্যা ৫০১–৫৫০-এর মধ্যে রয়েছে।

লাইফ সাইন্স অ্যান্ড মেডিসিন ক্যাটাগরিতে ব্রড সাবজেক্ট হিসেবে জায়গা না পেলেও জীববিজ্ঞান বিভাগ ন্যারো সাবজেক্টে ৬৫১–৭০০-এর মধ্যে অবস্থান করেছে।

এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৩৬৪তম। এই ক্যাটাগরিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ৫৫১–৬০০, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ৫০১–৫৫০ এবং মেকানিক্যাল, অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং ৫০১–৫৭৫-এর মধ্যে স্থান পেয়েছে।

বিশ্বমানের এই র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।