শিরোনাম
সিলেট সীমান্তে মিসবাহ সিরাজকে আ/ট/কের গুঞ্জন রংপুরের গণপতি হত্যার সঙ্গে ৪০ বছর আগের ব্রাহ্মনবাড়িয়ার শশাংক হত্যাকান্ডের মিল দেখছেন নেটিজেনরা প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে খন্দকার মুক্তাদিরের নতুন দায়িত্ব মেয়েদের উপবৃত্তি ফেরানোর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিলেট-তামাবিল সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মঙ্গলবার সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে এবার আরেক ব্যবসায়ীকে বাড়ির পাশে কুপিয়ে খু/ন সিলেটে সিএনজি অটোরিকশাকে বাসের ধাক্কা: মাদরাসাছাত্রী নিহ/ত, আহ/ত ৩ দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হলেন হুমায়ুন কবির বিশ্বের চাষযোগ্য জমির শতাংশে শীর্ষে বাংলাদেশ

https://www.emjanews.com/

14905

economics

প্রকাশিত

১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২১

আপডেট

১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৪৬

অর্থনীতি

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা, মূল্যস্ফীতি থাকবে ৯ শতাংশে

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২১

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রকাশিত এডিবির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এপ্রিল)’ প্রতিবেদনে এই হালনাগাদ পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এর আগে সেপ্টেম্বর সংস্করণে সংস্থাটি ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।

এডিবি বলছে, প্রবৃদ্ধি কমার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনাও নেই। চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশে থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আগে যা ৮ শতাংশে নামার আশা করা হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি- বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থা, জ্বালানি আমদানি এবং রপ্তানিতে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কিছুটা আশাবাদ দেখছে এডিবি। সংস্থাটি মনে করছে, তখন প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৫ শতাংশে নামতে পারে। জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এডিবির আগে বিশ্ব ব্যাংক-ও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে। সংস্থাটি তাদের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট (এপ্রিল)’ প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছে।

বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম বিনিয়োগ এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা প্রবৃদ্ধি কমার প্রধান কারণ।

এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

খাতভিত্তিক হিসেবে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১ দশমিক ২৭ শতাংশ, কৃষিতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগে স্থবিরতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের কারণে গত কয়েক বছর ধরেই প্রবৃদ্ধির গতি কমে আসছে।

গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ মহামারির আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। পরে মহামারির ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে।