শিরোনাম
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিরো.ধিতায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী স্থগি.ত নগরীর শিবগঞ্জ সেনপাড়ায় মব করে ব্যবসায়ীর ওপর হাম.লা, দোকান লু.টের অভিযোগ দেশজুড়ে হামের বিস্তার, প্রতি সপ্তাহে মারা যাচ্ছে ৫০-এর বেশি শিশু ফেসবুকে মৃ.ত্যুর আকুতি, কয়েক ঘণ্টা পর সৌদির সড়কে নিথ.র প্রবাসী ‘মাদককে না বলুন’ স্লোগানে আজমিরীগঞ্জে ব্যতিক্রমী ম্যারাথন লাউয়াছড়ায় বগি লাইনচ্যুত, ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক সিলেটের রেল যোগাযোগ সিলেটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত, পাড়া মহল্লায় চলছে কুরবানি প্রান্তিক চামড়া সংগ্রহকারীদের স্বার্থে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ৯৭ জন গ্রেফ.তার ৫২টি গাড়ির বিরুদ্ধে ব্য.বস্থা! ঈদে দোকান-শপিংমল খোলা রাখা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি

https://www.emjanews.com/

14905

economics

প্রকাশিত

১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২১

আপডেট

১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৪৬

অর্থনীতি

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা, মূল্যস্ফীতি থাকবে ৯ শতাংশে

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২১

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রকাশিত এডিবির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এপ্রিল)’ প্রতিবেদনে এই হালনাগাদ পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এর আগে সেপ্টেম্বর সংস্করণে সংস্থাটি ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।

এডিবি বলছে, প্রবৃদ্ধি কমার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনাও নেই। চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশে থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আগে যা ৮ শতাংশে নামার আশা করা হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি- বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থা, জ্বালানি আমদানি এবং রপ্তানিতে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কিছুটা আশাবাদ দেখছে এডিবি। সংস্থাটি মনে করছে, তখন প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৫ শতাংশে নামতে পারে। জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এডিবির আগে বিশ্ব ব্যাংক-ও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে। সংস্থাটি তাদের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট (এপ্রিল)’ প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছে।

বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম বিনিয়োগ এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা প্রবৃদ্ধি কমার প্রধান কারণ।

এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

খাতভিত্তিক হিসেবে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১ দশমিক ২৭ শতাংশ, কৃষিতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগে স্থবিরতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের কারণে গত কয়েক বছর ধরেই প্রবৃদ্ধির গতি কমে আসছে।

গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ মহামারির আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। পরে মহামারির ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে।