শিরোনাম
যুক্তরাজ্যের থারক কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী সিলেটের সঞ্জিত দাস সিলেটে এখন আগের দ্বিগুণ বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেলও! সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার শঙ্কা, পাকা ধান দ্রুত কাটার আহ্বান পাউবোর সাংবাদিকতায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা: নতুনদের খাতা, পুরোনোদের ছাড়? সিলেটে নতুন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ পুলিশে রদবদল: সিলেট মহানগর পুলিশে একাধিক এসপি বদলি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে একযোগে কাজ করতে চায় নেপাল সিসিকে নিয়োগের নামে প্রতারণা: সতর্ক থাকার আহ্বান প্রশাসকের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী পরিবহণে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

https://www.emjanews.com/

15169

sylhet

প্রকাশিত

২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৯

সিলেট

পালানো ঠেকাতে শিকল, শিকল নিয়েই পালালো দুই মাদরাসাছাত্র

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৯

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় শিকল বাঁধা অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা স্থানীয় দেওরগাছ হাফেজিয়া মাদরাসার আবাসিক শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহর এলাকা থেকে স্থানীয়রা শিশু দুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরে ইউএনওর নির্দেশে তাদের পায়ের শিকল কেটে চুনারুঘাট থানা হেফাজতে পাঠানো হয়।

উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো- হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মারুফ ইসলাম সবুজ (৯) এবং বানিয়াচং উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের বেলু মিয়ার ছেলে সায়েম মিয়া (৮)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিশুদের চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ হাফেজিয়া মাদরাসায় আবাসিকে রেখে পড়ানো হতো। তারা প্রায়ই মাদরাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে চলে যেত। এ কারণে সম্প্রতি অভিভাবকরা ৪০০ টাকায় শিকল কিনে মাদরাসায় তাদের বেঁধে রাখার ব্যবস্থা করেন।

মঙ্গলবার বিকেলে সুযোগ বুঝে তারা শিকল কেটে বাজারে চলে আসে। পরে স্থানীয়দের নজরে এলে তাদের উদ্ধার করা হয়।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী জানান, স্থানীয়রা শিশুদের উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসলে তাদের শিকল কেটে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের পরামর্শ অনুযায়ীই শিশুদের পায়ে শিকল পরানো হয়েছিল। পরে বিকেলে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।