শিরোনাম
সাদাপাথর ভ্রমণ: পর্যটকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানাল অধিদপ্তর সিলেটের একজনসহ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ কর্মকর্তা ‘আপা’ ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি বিক্রির দায়ে জরিমানা: ওসমানীনগর ইউএনও আদ্‌-দ্বীন ভবন চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজেটে হাওরাঞ্চলের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি সিলেটে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: আজও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহাযুদ্ধ? সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি সিলেটে রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

https://www.emjanews.com/

16080

sylhet

প্রকাশিত

০৪ জুন ২০২৬ ১২:১৭

সিলেট

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও একজনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ ১২:১৭

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। শিশুদের পাশাপাশি কিশোর, তরুণ ও বয়স্কদের মধ্যেও রোগটির বিস্তার বাড়তে থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চিকিৎসকরা। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জনে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে ৫৭ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সিলেট বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৭৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৬২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ২২ বছর বয়সী শিক্ষানবীশ নার্স জেরিন সুলতানার মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছেন চারজন।

শিশুদের পাশাপাশি বাড়ছে বয়স্ক রোগী

সিলেটের হাম চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক রোগীরাও চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ স্যালাইন নিচ্ছেন, কেউ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলছেন। চিকিৎসক ও নার্সরা নিয়মিত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এস এম সাজ্জাদুল হক বলেন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাতজন, কখনও ১০ থেকে ১২ জন পর্যন্ত বয়স্ক রোগী ভর্তি হচ্ছেন। শুরুতে এত বেশি বয়স্ক রোগী আক্রান্ত হবেন বলে তারা ধারণা করেননি।

তিনি বলেন, “হাম সাধারণত শিশুদের রোগ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে ১৫ থেকে ২২ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আমরা তাদের টিকা গ্রহণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি।”