ছবি: সংগৃহীত
সিলেটে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। শিশুদের পাশাপাশি কিশোর, তরুণ ও বয়স্কদের মধ্যেও রোগটির বিস্তার বাড়তে থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চিকিৎসকরা। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জনে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে ৫৭ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সিলেট বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৭৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৬২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ২২ বছর বয়সী শিক্ষানবীশ নার্স জেরিন সুলতানার মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছেন চারজন।
শিশুদের পাশাপাশি বাড়ছে বয়স্ক রোগী
সিলেটের হাম চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক রোগীরাও চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ স্যালাইন নিচ্ছেন, কেউ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলছেন। চিকিৎসক ও নার্সরা নিয়মিত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এস এম সাজ্জাদুল হক বলেন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাতজন, কখনও ১০ থেকে ১২ জন পর্যন্ত বয়স্ক রোগী ভর্তি হচ্ছেন। শুরুতে এত বেশি বয়স্ক রোগী আক্রান্ত হবেন বলে তারা ধারণা করেননি।
তিনি বলেন, “হাম সাধারণত শিশুদের রোগ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে ১৫ থেকে ২২ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আমরা তাদের টিকা গ্রহণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি।”
