শিরোনাম
পে-স্কেল নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় কর্মচারীরা নম্বর নয়, গুরুত্ব পাবে মূল্যবোধ ও দক্ষতা; শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বই সিলেটসহ ১৪ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আভাস হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রবাসী বাবা ও ছেলের মৃ ত্যু জামায়াত আমীরের বক্তব্যে বিএনপির ক্ষোভ উৎমাছড়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত পাঠালো বিজিবি দিঘি-টিলা হারিয়ে পরিবেশ সংকটে সিলেট জামায়াত আমীরের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া এমপি এমরানের 'সরকারের জন্মের ঠিক নেই' বক্তব্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ জামায়াত আমীরের  বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা, আইভরি কোস্টের কাছে হারল হট ফেভারিট ফ্রান্স

https://www.emjanews.com/

16116

surplus

প্রকাশিত

০৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫১

অন্যান্য

মাহমুদা সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫১

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এর বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদা আক্তার। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন জেলার প্রতিযোগীদের মধ্যে তিনি এই গৌরব অর্জন করেন। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। 

জানা যায়, প্রতিযোগি কর্তৃক দাখিলকৃত কাগজপত্রাদি যাচাই ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তাঁকে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এর আগে, পর্যায়ক্রমে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তিনি শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হোন৷ পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে তিনি অন্যান্য বিভাগের প্রতিযোগিদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

শিক্ষাক্ষেত্রে নিষ্ঠা, সৃজনশীলতা এবং কাব স্কাউটিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সহকর্মীরা জানান, তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে কাব কার্যক্রমের সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণ এবং দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করা হয়েছে।

মাহমুদা শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী আনন্দিত। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর এ অর্জন অন্য শিক্ষকদেরও শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও উৎসাহিত করবে।

এ অর্জনের জন্য মাহমুদা মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থী, সহকর্মী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।