ছবি: সংগৃহীত
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ক্রীড়া খাতকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির আওতায় আয় ও কর্মসংস্থানমুখী একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে সিলেটসহ দেশের ৬৪টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ৬৪টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি জেলার স্পোর্টস ভিলেজের প্রাথমিক নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রীড়া সম্পর্ক জোরদারে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি’ কার্যক্রমও সম্প্রসারণ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার এবং মার্শাল আর্টসহ মোট আটটি খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিতে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪৯২ জন কিশোর এবং ৪৭ হাজার ১৩০ জন কিশোরীসহ মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬২২ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছে। এ কর্মসূচির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি আরও বিকশিত হবে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
