শিরোনাম
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ২৯ জন ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ বিরোধী দলের দায়িত্বহীন আচরণ: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঢাকের তালে শুরু শারদোৎসব, নিরাপত্তার চাদরে দেশজুড়ে দুর্গাপূজা সিলেটে রাত ৩টায় প্রকৌশলীর বাসায় ঢুকে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! যাদুকাটা থেকে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সিলেট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুদকের অভিযান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর

https://www.emjanews.com/

16346

national

প্রকাশিত

১৩ জুন ২০২৬ ১৩:১৭

আপডেট

১৩ জুন ২০২৬ ১৩:৩৫

জাতীয়

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগসহ নানা অভিযোগে মাগুরা জেলা জামায়াতের আমিরকে অব্যাহতি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ ১৩:১৭

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাগুরা জেলা আমির অধ্যাপক এম বি বাকেরকে জেলা আমিরের দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার রুকনিয়াত (সদস্যপদ) তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার মাগুরা জেলা জামায়াতের দোয়ারপাড় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা শুরা ও কর্মপরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত জানান যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুবারক হোসেন।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সহকারী অধ্যাপক সাঈদ আহমেদ বাচ্চুকে ভারপ্রাপ্ত জেলা আমির এবং সহকারী অধ্যাপক মশিয়ার রহমানকে ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, এম বি বাকেরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অনিয়ম, দুর্নীতি, আর্থিক অস্বচ্ছতা, অর্থ তসরুফ, নেতৃত্ব নির্বাচনে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা এবং বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে।

সঞ্চয়পত্রে অর্থ বিনিয়োগসহ সুদভিত্তিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগও কেন্দ্রীয়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে।এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদন্ত চলছে।

এর আগে ২০২৫ সালে একটি হত্যা মামলার আসামিদের জামিনের তদবিরে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগে তিনি জেলা আমিরের পদ হারালেও পরে দলীয় সিদ্ধান্তে পুনর্বহাল হন।

অভিযোগের বিষয়ে এম বি বাকের নিশ্চিত করেছেন যে তাকে জেলা আমিরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তার সদস্যপদ তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।