শিরোনাম
ঢাকের তালে শুরু শারদোৎসব, নিরাপত্তার চাদরে দেশজুড়ে দুর্গাপূজা সিলেটে রাত ৩টায় প্রকৌশলীর বাসায় ঢুকে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! যাদুকাটা থেকে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সিলেট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুদকের অভিযান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর দেড় মাস সিলেট নগরীর যে স্থানে চলাচলে মানতে হবে বিশেষ নির্দেশনা নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ

https://www.emjanews.com/

19665

surplus

প্রকাশিত

১৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৩৮

অন্যান্য

ঢাকের তালে শুরু শারদোৎসব, নিরাপত্তার চাদরে দেশজুড়ে দুর্গাপূজা

আজ ষষ্ঠী

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৩৮

ছবি: সংগৃহীত

শিউলি ঝরা ভোর, কাশফুলের দোল আর ঢাকের ছন্দে আবারও বাঙালির হৃদয়ে জেগে উঠেছে শারদীয় উৎসবের আবহ। দেবীপক্ষের আবাহনে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে দেশের হাজারো পূজামণ্ডপে শুরু হবে পূজা-অর্চনা। আনন্দ, ভক্তি আর সম্প্রীতির এই উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপনে দেশজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

এবার সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেশি। উৎসবকে ঘিরে যেমন ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তেমনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আসবেন এবং নৌকায় চড়ে ফিরে যাবেন স্বর্গলোকে। দেবীর আগমন ও গমনের বাহন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। প্রচলিত বিশ্বাসে এসব বাহনের সঙ্গে প্রকৃতি, শস্য, বৃষ্টি ও জনজীবনের নানা প্রতীকী ব্যাখ্যা জড়িয়ে আছে।


মহাষষ্ঠীর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গোৎসবে আগামী দিনগুলোতে একে একে সম্পন্ন হবে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকার স্নান ও পূজা, মহাঅষ্টমীতে অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা এবং মহানবমীতে দেবীর পূজা ও ভোগ নিবেদনের মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে উঠবে পূজামণ্ডপগুলো।

এরপর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের এই ধর্মীয় উৎসব। বিদায়ের ক্ষণে দেবীর কাছে মঙ্গল, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করবেন ভক্তরা। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি বিসর্জনের দিনে ভক্তদের মনে বাজবে বিদায়ের বিষণ্ন সুর।

এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি অনুদানের পরিমাণ চার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মিলন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগও বাড়ছে।

উৎসবের আনন্দ নির্বিঘ্ন রাখতে বাড়তি নিরাপত্তা
দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে সতর্ক অবস্থানে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সক্রিয় থাকবে বিভিন্ন পর্যায়ের মনিটরিং দল।

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়াতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে মনিটরিং দলও সক্রিয় থাকবে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা ও নজরদারিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নিরাপত্তায় মাঠে নামছেন দুই লাখের বেশি আনসার সদস্য
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে ৩৩ হাজার ৯৭টি পূজামণ্ডপে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) মোট ২ লাখ ১২ হাজার ১১৪ জন সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাত হাজারের বেশি পূজামণ্ডপকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তার পরিকল্পনা। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে ১০৪টি বিশেষ স্ট্রাইকিং টিম। একই সঙ্গে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে জোরদার করা হয়েছে সাইবার নজরদারি।

সিলেটে ৬৩৬টি পূজা মন্ডপ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবের উচ্ছ্বাস ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবহে এবার সিলেট জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৬৩৬টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। গত বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ১৮টি। উৎসব নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর রাখতে প্রশাসন, সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক), রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নিয়েছে নানা প্রস্তুতি।

বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সিলেট জেলা ও মহানগর শাখা সূত্রে জানা গেছে, এবার সিলেট জেলায় সর্বজনীন ৪৪৮টি ও পারিবারিক ২৬টিসহ মোট ৪৭৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, মহানগরে সর্বজনীন ১৪৬টি ও পারিবারিক উদ্যোগে ১৬টিসহ পূজা হবে ১৬২টি মণ্ডপে। গত বছর জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৬১৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল। সে হিসাবে এবার পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ১৮টি।

তিথির হিসাব অনুযায়ী, এবারের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা চলবে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজা। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমীর অধিবেশনে অধিক পূজার আয়োজন থাকবে। ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

উৎসবের প্রতিটি দিন ঘিরে থাকবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, ভক্তদের প্রার্থনা ও পূজামণ্ডপে মানুষের সমাগম। মহাষ্টমীর অঞ্জলি থেকে কুমারী পূজার বিশেষ আয়োজন, আর সবশেষে বিজয়া দশমীর বিদায়বেলায় প্রতিমা বিসর্জন-সব মিলিয়ে সিলেটজুড়ে তৈরি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ।

পূজামণ্ডপের সেবায় প্রস্তুত সিটি করপোরেশন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরের ৮৫টি সর্বজনীন পূজামণ্ডপে পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য অপসারণ, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে টানা পাঁচ দিন দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে কুমারী পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপনে সিটি করপোরেশন সব সম্প্রদায়ের পাশে রয়েছে। পূজার সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূজা শেষ হওয়ার পরও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় বিএনপির সাত তদারকি কমিটি
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সাতটি তদারকি কমিটি গঠন করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি। নগরের ওয়ার্ডগুলোকে সাতটি ভাগে বিভক্ত করে বুধবার এসব কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সদস্যরা নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।

সিলেট মহানগর বিএনপির নেতা নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। শারদীয় দুর্গাপূজা যেন উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয়, সে লক্ষ্যে দলের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের গুজব, উসকানি কিংবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

পূজা নির্বিঘ্ন রাখতে ১৮ নির্দেশনা, গঠন মনিটরিং সেল
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে ১১ সদস্যের একটি মনিটরিং সেল। পূজা উদ্‌যাপন কমিটিগুলোকে সার্বক্ষণিকভাবে এই মনিটরিং সেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুক্রবার বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার বার্ষিক প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা, সড়ক সংস্কার, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সিলেট জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দাস ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. জাবের সাদেক, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ এবং জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

প্রতিনিধি সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন জেলা শাখার সদস্য সঞ্জয় কুমার নাথ এবং শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জেলা শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদক প্রমোদ রঞ্জন দাস। এ সময় জেলা ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

সভায় পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতারা। ছুটি একদিন বাড়িয়ে দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদও জানান তাঁরা।

উৎসবের রঙে আরও উজ্জ্বল হোক সম্প্রীতির বন্ধন
দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আরাধনার উৎসব নয়; এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যেরও এক অনন্য প্রকাশ। পূজামণ্ডপের আলোকসজ্জা, ঢাকের বাদ্য, প্রার্থনার ধ্বনি আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শারদীয় উৎসব হয়ে ওঠে মিলন ও আনন্দের উপলক্ষ।

ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতি সবার-এই চেতনায় শারদীয় দুর্গোৎসব সিলেটের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করুক।