‘সিলেটের কৃতিজন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন আরিফুল হক চৌধুরী
সিলেটের ইতিহাস ও কৃতিমানদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬ ১৯:২৩
ছবি: সংগৃহীত
যুগে যুগে সুফি-সাধক, প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও বীর দেশপ্রেমিকদের জন্ম দেওয়া পুণ্যভূমি সিলেটের গৌরবময় ইতিহাস ও কৃতিমান ব্যক্তিদের জীবনকীর্তি নিয়ে প্রকাশিত বিশেষ সংকলন ‘সিলেটের কৃতিজন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শনিবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, গ্রন্থটিতে সিলেটের ১১৩ জন কৃতিমান ব্যক্তির জীবনী স্থান পেয়েছে। তবে তাদের বাইরেও আরও বহু শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও আমলা রয়েছেন, যারা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। ভবিষ্যতে তাদের জীবন ও কর্ম নিয়েও গবেষণাধর্মী গ্রন্থ প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
নতুন প্রজন্মের কাছে গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেটের কৃতি ও কৃতিত্ববান ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা বইগুলো দেশের প্রতিটি গ্রন্থাগারে সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে তরুণরা সহজেই নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। একই সঙ্গে যুবসমাজের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সিলেটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও সিলেট অঞ্চল প্রত্যাশিত উন্নয়ন পায়নি। এ বিষয়ে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের জন্য এখানকার কৃতিমান ব্যক্তি, রাজনীতিবিদ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির সম্পাদক ও প্রকাশক আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিজেদের ইতিহাস ও শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করাই এই গ্রন্থ প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, পূর্বসূরিদের গৌরবময় অবদান ও উত্তরাধিকার সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জি কে গউছ এমপি, জালাল আহমেদ, ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা।
