শিরোনাম
ঢাকের তালে শুরু শারদোৎসব, নিরাপত্তার চাদরে দেশজুড়ে দুর্গাপূজা সিলেটে রাত ৩টায় প্রকৌশলীর বাসায় ঢুকে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! যাদুকাটা থেকে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সিলেট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুদকের অভিযান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর দেড় মাস সিলেট নগরীর যে স্থানে চলাচলে মানতে হবে বিশেষ নির্দেশনা নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ

https://www.emjanews.com/

17240

sylhet

প্রকাশিত

২১ জুলাই ২০২৬ ১৪:১৩

সিলেট

সিলেটে হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃ/ত্যু

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬ ১৪:১৩

সিলেট বিভাগে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে সন্দেহভাজন হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা জনমনে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া (ল্যাব কনফার্মড) হাম-রুবেলা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ জনে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ ২৮৭ জন। এছাড়া সিলেটে ১৮০ জন, হবিগঞ্জে ৫৬ জন এবং মৌলভীবাজারে ২২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫১ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ২৭৩ জন রোগী।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে মৃত্যুর পরিসংখ্যান। চলতি বছর সিলেট বিভাগে হাম ও সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১০৫ জন। জেলাভিত্তিক হিসাবে সুনামগঞ্জে ৪৭ জন, সিলেটে ৩৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং হবিগঞ্জে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে দুই শিশু মারা গেছে, তাদের একজন হবিগঞ্জের ৭ মাস বয়সী এবং অন্যজন সিলেটের কানাইঘাটের ২ বছর ২ মাস বয়সী। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের হাম-রুবেলার টিকা সময়মতো নিশ্চিত করতে না পারায় এই প্রাণহানি বাড়ছে। যথাযথ টিকাদান কর্মসূচি এবং সচেতনতাই এই রোগ প্রতিরোধ ও শিশু মৃত্যু রোধে একমাত্র কার্যকর উপায়।