ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নতুন ক্রীড়া পরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। প্রথম দিনেই তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দায়িত্ব গ্রহণের দিন নিজ কার্যালয়ে বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্মকর্তা, সাবেক খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দায়িত্ব গ্রহণের পর জাহেদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, সরকারের ক্রীড়া উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নের পাশাপাশি ফেডারেশনগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। অতীতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ফেডারেশন, খেলোয়াড়, সংগঠক ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি গতিশীল ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি বড় একটি দায়িত্বও। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে কাজ করব। প্রতিটি ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। খেলোয়াড়, সংগঠক, কোচ এবং ক্রীড়া সাংবাদিক- সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি আধুনিক, গতিশীল ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তুলতে চাই।”
দেশের ক্রীড়ার স্বার্থে দপ্তরের দরজা সবসময় সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলেও তিনি জানান।
নতুন ক্রীড়া পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্মকর্তা, সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠকরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, জাহেদ পারভেজ চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রশাসনিক জটিলতা দূর হবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন গতি ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
শুভেচ্ছা বিনিময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুমিন সাদ্দাম, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক এলিনা সুলতানা, হকি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান ডন এবং দাবা ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক মেহেদী হাসান পরাগসহ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠকরা।
