ট্রিপল মা-র্ডার: মেয়ে সেলিনা সুলতানার এজহার, বাবুল মিয়াকে আ/সামী করা হয়নি
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:১২
ছবি: সংগৃহীত
সিলেট নগরের রায়নগরে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় অবশেষে কোতোয়ালি মডেল থানায় এজহার দিয়েছেন নিহত দম্পতির মেয়ে ও যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সেলিনা সুলতানা। শুক্রবার রাতে তিনি এজহারটি দাখিল করেন। এর আগে পিতা-মাতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেন তিনি। এজহারে বাবুল মিয়াকে আসামী করা হয়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, এজহার পেয়েছি। মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভিকটিমের মেয়ে অজ্ঞাত আসামী করে মামলার এজহার দায়ের করেছেন।
এজহার সূত্রে জানা যায়, সেলিনা সুলতানা তাঁর বাবা এম এ সাত্তার ও মা সুরাইয়া বেগম হত্যার ঘটনায় আইনজীবী সিরাজুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনকে ঘিরে সন্দেহের কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাঁর পরিবারের সঙ্গে চলমান ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ এবং একাধিক মামলার বিষয় তুলে ধরেছেন তিনি।
এজহারে সেলিনা উল্লেখ করেন, ১৯৯৭ সালে তিনি ও তাঁর বাবা পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতি, সিলেটের কাছ থেকে রিকাবীবাজারের সরষপুর এলাকায় আনুমানিক ১২ শতক জমি লিজ নিয়ে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। ২০০৬ সালে ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম তাঁদের লিজ নেওয়া জমিসহ পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতির প্রায় ৮০ শতক জমি তাঁর প্রতিষ্ঠানের নামে দলিল করার পর মালিকানা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ নিয়ে তাঁর বাবা ২০১৬ সালে সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বত্ব মামলা করেন। এজহারে বলা হয়, ওই মামলার পর তাঁর বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হলে তিনি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি স্বত্ব-২১১/২০২৩ নম্বরে রূপান্তরিত হয়ে যুগ্ম জেলা জজ অতিরিক্ত আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
সেলিনার অভিযোগ, মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য সিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন সময় তাঁকে ও তাঁর বাবাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া তাঁদেরসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে সিরাজুল ইসলাম টাকা আদায়ের মামলা করেন, যা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
এজহারে ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারির একটি ঘটনারও উল্লেখ করেছেন সেলিনা। তাঁর দাবি, ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে সিরাজুল ইসলাম, আমিন হোসেনসহ আরও কয়েকজন তাঁদের পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে স্বত্ব মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেন। তাঁরা মামলা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সিরাজুল ইসলাম মামলা নিয়ে তাঁদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যান। এ ঘটনায় সেলিনা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন বলে এজহারে উল্লেখ করেন।
এরপর ২০২৫ সালের ১৮ মে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের সামনে তাঁর বাবা এম এ সাত্তার ও মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগও করেন সেলিনা। তাঁর দাবি, আদালত প্রাঙ্গণে সিরাজুল ইসলাম তাঁর বাবাকে স্বত্ব মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেন। তাঁরা রাজি না হওয়ায় তৌহিদুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার পেছনে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করা হয়। তাঁর বাবা বাধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়।
এ ঘটনায় তৌহিদুল ইসলাম থানায় অভিযোগ করেন এবং পরে আদালতে মামলা করেন বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাঁর বাবা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন সেলিনা।
এজহারে সাম্প্রতিক সময়ের আরও দুটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন নিহতের মেয়ে। তাঁর দাবি, গত ২৮ জুলাই যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতে ভূমি-সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময় তাঁর বাবার নিয়োজিত আইনজীবীকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়। ৩০ জুলাই তাঁর বাবা আদালতে গেলে তাঁকেও আবার মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সেলিনা এজহারে বলেন, এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় তাঁর বাবার দায়ের করা স্বত্ব মামলা থেকে ১৮৫২২/০৬ নম্বর সাফকবলা দলিলটি রক্ষা করার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পেশাদার ভাড়াটে খুনিদের ব্যবহার করে তাঁর বাবা এম এ সাত্তার, মা সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
এজহারে তাঁর অভিযোগ, গত ১২ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় নিজ বাসভবনে তিনজনকে হত্যা করে হত্যাকারীরা বাসা থেকে মামলা ও ভূমি-সংক্রান্ত কাগজপত্র, জিডির কপি এবং দলিলপত্র নিয়ে যায়।
সেলিনা জানান, ১৩ আগস্ট যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসার পর পিতা-মাতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেন। পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় এজহার দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
এজহারের শেষাংশে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং তাঁর বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া কাগজপত্র ও দলিলাদি উদ্ধারের জন্য পুলিশের কাছে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।
রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ওই বাসা থেকে গত ১২ আগস্ট সকালে এম এ সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরে বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বাবুলের জবানবন্দি ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি প্রাথমিক বর্ণনা দেওয়া হলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই এজহারে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধের একটি ভিন্ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এখন নতুন এজহারে ওঠে আসা অভিযোগ, ভূমি-সংক্রান্ত মামলার নথি ও দলিলপত্র খোয়া যাওয়ার বিষয় এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না; তা তদন্তে স্পষ্ট হবে।
এজহারের পুরো বর্ণনা পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো,
‘গত ১৩ আগষ্ট যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসি। ১৯৯৭ সালে আমি এবং আমার পিতা যৌথভাবে পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতি সিলেট এর নিকট থেকে রিকাবী বাজারের সরষপুর এলাকায় আনুমানিক ১২ শতক ভূমি লীজ নিয়ে সেথায় গৃহ নির্মাণ করে ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় ২০০৬ সালে ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেড এর চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম আমার এবং আমার পিতার লীজকৃত ভূমিসহ পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতি সিলেট এর ৮০ শতক ভূমির ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেড এর নামে ১৮৫২২/০৬নং সাফকবলা দলিল সৃষ্টি করে তদ অনুবলে নামজারি করে মালিকানা দাবী করে আমাদেরকে উচ্ছেদের হুমকি দিলে আমার পিতা ২০১৬ সালে তাহার বিরুদ্ধে স্বত্ত্ব ৬০/২০১৬নং মামলা দায়ের করলে এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সহ অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা আমার পিতাকে প্রান নাশের হুমকি দিলে আমার পিতা তাহার বিরুদ্ধে একটি সাধারন ডায়রী করেন এবং এবং উক্ত স্বত্ত্ব মোকদ্দমাটি স্বত্ত্ব-২১১/২০২৩ নং নম্বরভূক্ত হয়ে মাননীয় যুগ্ম জেলা জজ অতিরিক্ত আদালতে বিচারাধীন আছে। এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে আমাকে এবং আমার পিতাকে উক্ত মামলাটি প্রত্যাহারের জন্যে অব্যাহত ভাবে বারবার হুমকি দিতে থাকে সর্বশেষ সিরাজুল ইসলাম আমার পিতাকে হয়রানি করার জন্যে আমার পিতা, জনৈক মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতি সিলেট এর বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব জমিংথাংগা লুসাই এবং আরো অন্যান্য লীজ গ্রহীতারে বিরুদ্ধে টাকা ৫/১৭নং মামলা দায়ের করেন যাহা মাননীয় অতিরিক্ত জেলা জজ ৫ম আদালতে টাকা ৩/২০২৩ নম্বরভূক্ত হয়ে বিচারাধীন আছে। আগামী ১৯/০৮/২০২৬ইং তারিখে মাননীয় অতিরিক্ত জেলা জজ ৫ম আদালতে এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক দায়রী উক্ত স্বত্ত্ব-২১১/২০২৩নং মামলা থেকে উদ্ভূত ৭০/২০২৩নং সিভিল রিভিশন মোদ্দমার ধার্য তারিখ। এমতাবস্থায় বিগত ২৯/০১/২০২৫ইং তারিখে আনুমানিক বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম আমিন হোসেন সহ আরো সহ অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের নিয়ে আমার পিত্রালয়ে আসে স্বত্ত্ব মামলাটি প্রত্যাহারের জন্যে হুমকি দিলে আমি এবং আমার পিতা উক্ত মামলাটি প্রত্যাহারের অস্বীকৃত জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয় এবং এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম মামলা সহ আমাদেরকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে আমি উক্ত বিষয়ে অত্র থানায় একটি সাধারন ডায়রী করি। কিন্তু যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ার কারনে উক্ত সাধরন ডায়রী বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা সম্ভব হয় নাই। এর পরে বিগত ১৮/০৫/২০২৫ইং তারিখে আমার পিতা এবং মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের দায়রী ০৩/২০২৩ নং মামলা পরিচালনা করার জন্যে সিলেট জেলা জজ কোর্টে উপস্থিত হলে দুপুর ১২.৫৫ ঘটিকায় সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের সামনে এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতির ভূমির মালিকানা দাবী করিয়া আমার পিতা এম, এ সাত্তারকে তাহার কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়রী স্বত্ব ২১১/২০২৩ নং মামলা তুলে নেয়ার জন্যে হুমকি দেয়। আমার পিতা এম এ সাত্তার এবং মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সিরাজুল ইসলামের দাবী প্রত্যাখান করলে সিরাজুল ইসলাম হঠাৎ করে মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে স্বজোরে মাথার পিছনে কিল ঘুষি মারতে মারতে রক্তাক্ত জখম করে মাটিতে ফেলে দিলে আমার পিতা বাধা দিলে তাহাকে রক্তাক্ত জখম করলে উক্ত বিষয়ে মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম অত্র থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন কিন্তু উক্ত অভিযোগ কোন প্রতিকার না পাওয়ায় বিগত ৬/৮/২০২৫ইং তারিখে মাননীয় ১নং আমলা আদালতে কোতোয়ালী সিআর ১০৫৭/২০২৫নং মামলা দায়ের করেন এবং উক্ত মামলাটি ডিবি সিলেটে তদন্তাধীন আছে এবং আমার পিতা আমার পক্ষে আমমোক্তার বাদী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এ কোতেয়ালী সিআর ৮১৫/২০২৪ নং মামলা দায়ের করেন এবং নিজের জন্যে কোতোয়ালী সিআর ১৩৬৪/২০২৩ নং মামলা দায়ের করেন এবং মামলাগুলো ডিবি সিলেট এ তদন্তাধীন আছে।
সর্বশেষ বিগত ২৮/০৭/২০২৬ইং তারিখে যুগগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতির ভূমি সংক্রান্ত স্বত্ত্ব ৭৩/২৩নং মোকদ্দমার শুনানী চলাকালীন সময়ে আমার পিতার নিয়োজিত আইনজীবীকে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করেন এবং ৩০/০৭/২০২৬ইং তারিখে আমার পিতা এম.এ সাত্তার, এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের দায়রী টাকা ৩/২০২৩নং মামলা শুনানীর জন্যে জজ কোর্টে উপস্থিত হলে সিরাজুল ইসলাম আমার পিতাকে আবারোও মামলা প্রত্যাহারের জন্যে হুমকি প্রদান করেন। আমার পিতার দায়রী স্বত্ত্ব মামলা থেকে ১৮৫২২/০৬ সাফকবলা দলিলটি রক্ষা করার জন্যে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী অত্যন্ত পেশাদার অজ্ঞাত ভাড়াটিয়া খুনীদের মাধ্যমে বিগত ১২/০৮/২০২৬ ইং তারিখে আনুমানিক পূর্বল ৯.০০ ঘটিকায় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রায়নগরের মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১নং বাসার ২য় তলায় নিজ বাসভবনে আমার বৃদ্ধ পিতা এমএ সাত্ত্বার মাতা সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহামিনা বেগমকে হত্যা করে বাসা থেকে মামলা ও ভূমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র, জিডি কপি এবং দলিলাদি নিয়ে যায়। আমি যুক্তরাজ্য হতে বাংলাদেশে আসিয়া আমার পিতা মাতার দাফন কাপন কার্যক্রম শেষে আমার আত্মীয় স্বজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হলো।
অতএব, আপনার নিকট আকুল আবেদন এই যে উপরোক্ত অবস্থা বিবেচনায় এবং ন্যায় ও সুবিচারে বিচারের স্বার্থে বিগত ১২/০৮/২০২৬ইং তারিখে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রায়নগরের মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নং বাসায় সংঘঠিত অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সকল অপরাধীদের সনাক্ত করে তাহাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন এবং আমার বাসা হতে খোয়া যাওয়া কাগজপত্র এবং দলিলাদী উদ্ধারের জন্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার মর্জি হয়।’
