কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুর পরিষ্কারের ঘোষণা সিসিক প্রশাসকের
গ্রিন-ক্লিন সিলেট গড়তে পরিচ্ছন্নতা ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৫৫
ছবি: সংগৃহীত
সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরের কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে পুকুরটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে উত্তর সুরমা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘আমরা গ্রিন-ক্লিন সিলেট গড়তে চাই। এ জন্য নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধারেও আমরা কাজ করছি। নগরীর যেসব পুকুর ও জলাশয় দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেগুলো খননও করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নগরীর কয়েকটি পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরটিও কচুরিপানা ও আবর্জনামুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। পরিচ্ছন্ন জলাশয় শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, মশার প্রজননও কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জলাশয়গুলো পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নগরবাসী, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।
এর আগে সিসিক প্রশাসক কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে সিসিক প্রশাসক নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনারপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা ও অবকাঠামোগত বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
