শিরোনাম
কোথায় যায় সিলেটের রেলের টিকেট? সবাই জানেন, তবু কেউ জানেন না!  থামছে না মৃ/ত্যুর মিছিল, এবার দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শাবি ছাত্রীর সিলেটে মিছিলে দিতে গিয়ে আ/ট/ক ছাত্রলীগের দুই কর্মী রোগীর টিউমার থেকেই তৈরি টিকা, ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন আশা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান নিয়ে আলোচনা চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বই সিলেটে মাজারে এবার ৮৮ লাখ টাকা, মিলল সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে সতর্কবার্তা, চিরতরে বন্ধ হতে পারে ভ্রমণের সুযোগ চাঁদাবাজ ও অনেক এমপি-মন্ত্রীর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না: সিলেটে শফিকুর রহমান সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃ/ত্যু

https://www.emjanews.com/

18446

economics

প্রকাশিত

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:১৪

অর্থনীতি

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:১৪

ছবি: সংগৃহীত

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধার আওতায় সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে নির্ধারিত ফি দিয়ে তাৎক্ষণিক ও সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন গ্রাহকেরা।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

সার্কুলার অনুযায়ী, ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’-এর আওতায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধের জন্য ঋণ দেওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ফি, টোল ও টিকিটের খরচ, করসহ বিভিন্ন সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য খরচ।

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী, ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদভেদে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি নেওয়া যাবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ঋণের মূল অর্থ ও প্রযোজ্য ফি যথাক্রমে অষ্টম, ১৬তম অথবা ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে। ঋণের অর্থ অনুমোদিত ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীর অনুকূলে পরিশোধ করতে হবে। এই অর্থ নগদে রূপান্তর, গ্রাহকের ওয়ালেটে যোগ কিংবা অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না।

গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের আগেও ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি, সুদ, প্রি-পেমেন্ট, আর্লি সেটেলমেন্ট বা ফোরক্লোজার চার্জ আরোপ করা যাবে না।

তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য দৈনিক ভিত্তিতে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত সীমা অনুসরণ করতে হবে।