https://www.emjanews.com/

18629

surplus

প্রকাশিত

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৬

অন্যান্য

সিলেটে ১,৩০০ ক্ষুদে শিক্ষার্থীর গণিত উৎসব

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৬

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট নগরীর স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘৬ষ্ঠ ক্ষুদে গণিত উৎসব-২০২৬’। জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সিলেট মহানগরী শাখার সহযোগিতায় এ মেধা যাচাই ও গণিত উৎসবের আয়োজন করা হয়।

সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৩০০ ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’ এবং ‘শিক্ষা সেবায় আনন্দ, গড়বো নতুন দিগন্ত’- এই লক্ষ্য ও স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নৈতিক বিকাশে উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন করা হয়।

সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আয়োজকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের আমেজ।

অনুষ্ঠান ও পরীক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ফুলকুঁড়ি আসর সিলেট মহানগরী শাখার পরিচালক জুনাইদ আহমেদ। পরীক্ষা আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন শাখার সহকারী পরিচালক মো. আবুল কাশেম আজাদ।

উৎসব চলাকালে পরীক্ষা হল পরিদর্শন করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ফুলকুঁড়ি আসরের উপদেষ্টা মুকতাবিস-উন-নূর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন (আরণ্যক শামছ), কোঅর্ডিনেটর সুমিত্রা মজুমদার, শাবিপ্রবির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক আহমদ মাহবুব ফেরদৌসী, ফুলকুঁড়ি আসরের প্রাক্তন প্রধান পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি সম্পাদক মাহবুব সরকার।

পরিদর্শনকালে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের মন থেকে গণিতভীতি দূর করার পাশাপাশি যুক্তিবোধ ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষুদে গণিত উৎসব শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি এবং মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলার একটি প্রয়াস। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের সৃজনশীল কার্যক্রমে স্কুল কর্তৃপক্ষ পাশে থাকবে বলে তারা জানান। একই সঙ্গে আয়োজনের জন্য ফুলকুঁড়ি আসরকে ধন্যবাদ জানানো হয়।