https://www.emjanews.com/

18626

economics

প্রকাশিত

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫৭

অর্থনীতি

ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে নবম পে স্কেলের বেতন নির্ধারণ

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫৭

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে নবম জাতীয় পে স্কেল। নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইনগত ভেটিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হলেই গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

এরপর সাতটি পৃথক এসআরও (সংবিধিবদ্ধ বিধি ও আদেশ) জারির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার আইনি বিধান নিশ্চিত করা হবে।

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ডিজিটাল বেতন ব্যবস্থাপনায়। সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

এ জন্য প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ, গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও পদোন্নতি-সংক্রান্ত তথ্য সফটওয়্যারে হালনাগাদ করতে হবে। তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল বেতন ও প্রযোজ্য ভাতা নির্ধারণ করবে। ফলে অনলাইনেই চাকরিজীবীরা নিজেদের নতুন বেতন কাঠামো ও প্রাপ্যতার বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত ভিন্নতা বিবেচনায় সাতটি পৃথক এসআরও জারির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর আওতায় থাকবে বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বিচার বিভাগ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বেতন পুনর্নির্ধারণের ফলে হিসাবের ভুল এবং অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে যাতায়াতের ভোগান্তিও কমবে।

প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বর্তমানে প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি জোরালোভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।