মাঝ নদীতে নৌকায় ২ নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ: সিলেট এসআরবির হাতে ‘মূল হোতা’ আ/ট/ক
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:১১
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নাচের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে এনে দুই নারী শিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূল হোতা মুজাহিদ ওরফে রাকিবকে আটক করেছে এসআরবি-৯ (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘রাকিব’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে গত ৮ সেপ্টেম্বর একটি পেশাদার নৃত্যশিল্পী দলকে সরাইলে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানায় মুজাহিদ। অনুষ্ঠানের জন্য ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করে ২ হাজার টাকা অগ্রিমও দেয় সে।
১০ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ওই তরুণ এক কিশোরী (১৬) ও এক তরুণীকে (১৯) নিয়ে সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে পৌঁছান। পরে রাকিবসহ দুই যুবক তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহবাজপুর সেতু এলাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে তাদের তিতাস নদীর শাহবাজপুর এলাকায় নেওয়া হয়। নৌকায় আরও তিন যুবক ছিলেন।
একপর্যায়ে নদীর মাঝখানে নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন পাঁচ যুবক। পরে তরুণ শিল্পীকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে তার সঙ্গে থাকা দুই নারী শিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে।
পরে রাত ৮টার দিকে তিন শিল্পীকে তিতাস নদীর নাসিরনগর উপজেলার ভূঁইয়ার ঘাট এলাকায় কাদাপানিতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা নৌকা নিয়ে চলে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে শান্ত বিশ্বাস (১৯) নামে আসামিকে আটক করে।
পরবর্তীতে ওই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মুজাহিদকে আটক করে এসআরবি-৯। এ ঘটনায় জড়িত বাকি পাঁচ সহযোগীকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
