শিরোনাম
‘যেমন-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না মালয়েশিয়ায়: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ৩০ ব্যাংকের সেবা দ্রুত সচলের নির্দেশ বিদেশে কর্মী পাঠাতে সিন্ডিকেটের দিন শেষ: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সিলেটে বাড়তে পারে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টি অবশেষে দশম গ্রেডে বেতন পাবেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা সিলেটসহ দেশের সব হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ জেলা স্টেডিয়াম আধুনিকায়ন করতে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: সিলেটে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সিলেটে পুলিশের অভিযানে ৩৩ জন গ্রেফ/তার আগাম ঘোষণা ছাড়াই ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, বিপাকে গ্রাহক বিদায় নিচ্ছে মৌসুমি বায়ু: সিলেটে মিললো যে পূর্বাভাস

https://www.emjanews.com/

19382

law-justice

প্রকাশিত

০৬ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩০

আইন আদালত

এমপিওভুক্ত স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায় স্থগিত

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩০

ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এনটিআরসিএর করা আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তবে রিটকারী ৪৬ জন শিক্ষকের স্বার্থ সংরক্ষণে ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সরকার গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত একটি সংশোধনী জারি করে। সংশোধনীতে প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য মোট ১৮ বছরের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী, সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ ছিল।
নতুন অভিজ্ঞতার শর্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে প্রথমে ১২ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। পরে আরও কয়েকজন শিক্ষক এতে যুক্ত হলে রিটকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৬ জনে।

শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের ২৫ মার্চের সংশোধনী বাতিল করে রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

তবে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণের বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হবে।

আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ ছিল ১০ হাজার ২৭৮টি। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে ৩ হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে ১৫০টি শূন্যপদ ছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদ উল্লেখ করা হলেও বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে সংরক্ষিত ৪৬টি পদ বাদে বাকি শূন্যপদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভা ও পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবে এনটিআরসিএ।