শুনানিতে আদালত মা ও ছেলের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের মধ্যকার বিরোধ মেটানোর উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে রাজি হন সাগর হোসেন।
নিজের ভুল বুঝতে পেরে মায়ের সঙ্গে এমন আচরণের জন্য অনুতপ্ত হন সাগর। ভবিষ্যতে আর কখনো মায়ের সঙ্গে এমন আচরণ করবেন না বলে আদালতকে আশ্বস্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের মা ও দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চান সাগর।
ছেলের কাছে থাকতে পেরে খুশি বৃদ্ধা মুন্নি খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। আমি আমার ছেলেকে চেয়েছিলাম, অবশেষে তাকে ফিরে পেয়েছি। আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। ছেলের সব ভুল আমি মাফ করে দিয়েছি। এখন আমি ছেলের বাড়িতে ফিরে এসেছি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছেলের কাছেই থাকতে চাই। মা হিসেবে এটাই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।’
সাগর হোসেন বলেন, ‘ওসি স্যার আমাকে গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে আমি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি। আগে আমি যা বলেছি, তা আবেগের বশে বলেছি, অনেক কথাই মিথ্যা ছিল। এখন বুঝতে পারছি, আমার ভুল হয়েছে। আমি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি এবং অনুতপ্ত। এখন থেকে মাকে সঙ্গে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই। মাকে নিজের কাছে রেখে তাঁর দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করতে চাই।’
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, বৃদ্ধা মা ও ছেলেকে একসঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাঁদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
