শিরোনাম
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান নিয়ে আলোচনা চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বই সিলেটে মাজারে এবার ৮৮ লাখ টাকা, মিলল সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে সতর্কবার্তা, চিরতরে বন্ধ হতে পারে ভ্রমণের সুযোগ চাঁদাবাজ ও অনেক এমপি-মন্ত্রীর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না: সিলেটে শফিকুর রহমান সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃ/ত্যু সিলেটে উপবৃত্তির কথা বলে স্কুল ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণ, আট/ক এক ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে: রাষ্ট্রপতি ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, পাকা ধান কাটার পরামর্শ সিলেটে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট

https://www.emjanews.com/

19919

national

প্রকাশিত

২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২১:০৮

জাতীয়

মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর: ধর্মীয় বক্তাদের একাংশকে ‘দালাল’ বললেন তাহেরি

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২১:০৮

মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি

গাজীপুরের একটি মাদরাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে চুম্বন দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষককে মারধরের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। তিনি বলেছেন, ‘তোমার তো এখন চুম্বন দিতে গেলেও সাবধানে দিতেই হবে, যেহেতু ইতিহাস ভালো না।’

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের হাজী আজগর আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাহেরি বলেন, ‘এখন সব মৌলভীরা বলে, চুম্বন দিছে, বাচ্চা আদর করছে, সুন্নত। হুজুরকে মারছে, বিচার চাইতেছে। দেশে আইন আছে, আইনের বিচার আছে। আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে মারল কিসের জন্য? যখন মাদরাসার ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে বলাৎকার করে, তখন তোমাদের প্রতিবাদ কোথায় থাকে?’

ধর্মীয় বক্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন তাহেরি। তিনি বলেন, ‘যেই দল ক্ষমতায় আসে, এটার সঙ্গে থাকে অর্ধেক। যেই দল ক্ষমতায় থাকে না, তাদের সঙ্গে থাকে বাকি অর্ধেকের অর্ধেক। আর বাকিটা থাকে বিরোধী দলের সঙ্গে। আরেকটা থাকে তলে তলে বান্ডিল নেওয়ার জন্য।’

গত ২১ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়ায় অবস্থিত ক্বরিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মোসলেম আহম্মদের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওই সময় শিক্ষক অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাহজালাল রুমি নামের এক ব্যক্তি তাঁকে চড় মারেন। পরে উপস্থিত লোকজনও ওই শিক্ষককে মারধর করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদরাসা কর্তৃপক্ষও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে।