শিরোনাম
জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে মাদ্রাসাছাত্রকে ব/লাৎ/কারের অভিযোগ, ইমাম পলাতক সিলেটে মসজিদ কমিটির বিরোধে প্রাণ গেল সালিশ ব্যক্তিত্বের; আহত ১০ সিলেটে বিপুল পরিমাণ চো/রাচালানি পণ্য জব্দ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আরিফুল হক চৌধুরীর ইসিজি ও রক্তপরীক্ষা করা হয়েছে, আশঙ্কামুক্ত বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট টেস্টে শুরুতেই বাংলাদেশের ছন্দপতন, হাসানের আগুনের পর ব্যাটিংয়ে জোড়া ধাক্কা সিলেটের ‘নিষিদ্ধ’; যুবলীগের মিছিল, ১২ জন আটক বিনা খরচে মালয়েশিয়ায়কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ

https://www.emjanews.com/

20388

sylhet

প্রকাশিত

০৭ নভেম্বর ২০২৬ ১৫:১৫

সিলেট

সিলেটে মসজিদ কমিটির বিরোধে প্রাণ গেল সালিশ ব্যক্তিত্বের; আহত ১০

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ১৫:১৫

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নে মসজিদ কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে  মো. গেদা মিয়া (৬৫) নামে এক সালিশ ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে ধারালো অস্ত্র নিয়ে চালানো এ হামলায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত মো. গেদা মিয়া (৬৫) লক্ষিপুর গ্রামের সালিশ ব্যক্তিত্ব । এতে আহতরা হলেন, আনছার আলী, কাহির মিয়া,বশির মিয়া, তাহমিম আহমদ মুরাদ, রবিন, বাবুলের স্ত্রীসহ ১০জন। আহতদের সবাইকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত গেদা মিয়াদের সাথে মসজিদ কমিটি নিয়ে আলাউদ্দিন, ইলিয়াস গংদের বিরোধ রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে গেদা ও বাবুলের বাড়িতে হামলা চালায়।

এসময় নিহত গেদার ছেলে কামালের বাড়িতে লুটপাট করা হয়। এতে গেদা বাধা প্রদান করলে তার শরীরে ১৫/২০টি আঘাত করে হামলাকারীরা। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এসময় গ্রামের বাসিন্দা ও আহতরা তাকে রক্ষা করতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে হামলাকারীরা বাবুলের বাড়িতে গিয়ে হামলা করে বাবুলের স্ত্রীকে মারপিট করে। তখন রবিন রাস্তা দিয়ে মোটর সাইকেল করে নিজ বাড়ি নিশ্চিন্তপুর যাওয়ার পথে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।

তেতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওলিউর রহমান জানান, তিনি হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম শনিবার বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এর আগেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।