শিরোনাম
এক মিনিটেই শেষ ট্রেনের টিকিট, নতুন এজেন্সি নিয়োগের উদ্যোগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন সব ধর্মের মানুষের সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরী রাজশাহীতে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ডিবির অভিযান, মদ-ইয়াবা উদ্ধার, নারীসহ আটক ৮৪ ইউপি নির্বাচন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ সিলেটে এক সিএনজি চালকের ছু/রিকাঘা/তে আরেক চালক খু/ন সিলেটে স্কুল ছাত্রীর মায়ের মাম/লায় গ্রে/প্তার ‘প্রেমিক’ সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ৩০ জন পুতিন-ট্রাম্প-শি’র ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

https://www.emjanews.com/

7753

national

প্রকাশিত

২৮ জুলাই ২০২৫ ০৯:২২

আপডেট

২৮ জুলাই ২০২৫ ০৯:২৬

জাতীয়

চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ‘বৈষম্যবিরোধী নেতা’ রিয়াদের বাড়িতে উঠছে পাকা ভবন!

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৫ ০৯:২২

ছবি: সংগৃহিত।

চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদের নোয়াখালীর গ্রামে তাঁর পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয় বলে পরিচিত। অথচ সম্প্রতি তাঁদের বাড়িতে একটি একতলা পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে।

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, প্রায় এক হাজার বর্গফুট আয়তনের একটি ভবন নির্মাণাধীন। ইতিমধ্যে চার কক্ষের এই ভবনের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রিয়াদ একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা ও বড় ভাই আগে রিকশা চালাতেন। এখন আর চালান না। পরিবারটি আগে থেকেই আর্থিক সংকটে ছিল। তাই হঠাৎ পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করায় এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে রিয়াদের চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেই প্রশ্ন আরও গভীর হয়েছে।

প্রকৌশলীরা  বর্তমানে যে কাজ পর্যন্ত হয়েছে, তাতেই ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা খরচ হওয়ার কথা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রিয়াদের এক চাচি গণমাধ্যমকে বলেন, রিয়াদের বাবা ও বড় ভাই দুজনই রিকশা চালাতেন। এখন চালান না। রিয়াদ ঢাকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন বলে শুনেছেন।
রিয়াদের মা রেজিয়া বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। ছোট ছেলে রিয়াদ ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। বড় ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তবে বড় ছেলে ফুটপাতে ব্যবসা করেন, এমন কথাও বলেন রেজিয়া বেগম।

রেজিয়া বেগম বলেন, মানুষের কাছ থেকে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে, তাঁর স্বামীর আয়ের টাকায় ছেলেকে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন। পাকা ভবন নির্মাণ করছেন ব্র্যাক থেকে ঋণ নিয়ে, স্বামীর জমানো টাকা দিয়ে। ধারদেনাও করেছেন।