ছবি: সংগৃহীত
আগামী জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হালনাগাদ কার্যক্রম শেষে ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত করা হবে ভোটার তালিকা। চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে, তাঁরাই সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইসির এক নির্দেশনায় দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা এর আগে যাঁদের জন্ম, তাঁদের মধ্যে যাঁরা চলতি বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এ জন্য আগামী ৫ নভেম্বর সারা দেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২৫ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে। এসব আবেদন ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব নির্বাচনের তফসিল সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন।
এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত আগস্টে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু এবং সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল। এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা মুদ্রণের প্রস্তুতিও নেওয়ার কথা ছিল।
তবে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে আবারও ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম চালু করে নির্বাচন কমিশন।
